স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ২৭ জুলাই : ৭০ দশকে স্কুল কলেজ গুলিতে কমিউনিস্টদের চিন্তা ভাবনাকে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। সেই সময় ছাত্র-ছাত্রীদের ব্রেইনকে ওয়াশ করার চেষ্টা করা হয়েছে। মানুষ তা মেনে নেয় নি। কমিউনিস্টদের ধংসের চিন্তা ধারা থেকে মানুষ বর্তমানে বেরিয়ে এসেছে। বক্তা মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। দেশের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ ত্রিপুরা রাজ্য কমিটির উদ্যোগে অমৃত মহোৎসব সমারোহর আয়োজন করা হয়।
রাজধানীর রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে অনুষ্ঠিত হয় এই অমৃত মহোৎসব সমারোহ। প্রদীপ প্রজ্জলন করে অমৃত মহোৎসব সমারোহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। এইদিনের অনুষ্ঠানে আলোচনা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা বলেন দীর্ঘ প্রায় ৩৪ বছর পর নয়া জাতীয় শিক্ষা নিতি নিয়ে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী। নয়া শিক্ষা নিতি ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্থানে চালু হয়ে গেছে। নয়া শিক্ষা নীতির ফলে যুবকদের ভালো হবে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে স্মার্ট ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিদ্যাজ্যোতি প্রকল্পের অধিন বিদ্যালয় গুলিতে উন্নত পঠন পাঠনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিভিন্ন স্তরে ছাত্র-ছাত্রীদের স্টাইপেন্ড প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কলেজে পাঠরত ছাত্র-ছাত্রীদের স্মার্ট ফোন প্রদান করা হচ্ছে। স্কুলের ছাত্রীদের বিনামূল্যে বাইসাইকেল প্রদান করা হচ্ছে।
ডেন্টাল কলেজ ও কলেজ অফ নার্সিং এই বছর থেকে শুরু হয়েছে। ফরেনসিক সাইন্স ইউনিভার্সিটি, আইন বিশ্ববিদ্যালয়, সহ আরও বেশকিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রাজ্যে চালু হতে চলেছে। ত্রিপুরা রাজ্যে এডুকেশন হাব করার চেষ্টা চলছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। ভারতবর্ষের সবচেয়ে বড় সম্পদ হচ্ছে যুব সমাজ। দেশের লোকসংখ্যার প্রায় ৬৫ শতাংশ যুব শক্তি। এইটা গর্বের বিষয় বলে অভিমত ব্যক্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সর্বভারতীয় সহসভাপতি সুদিপ্ত মুখোপাধ্যায়, ত্রিপুরা বিশ্ব বিদ্যালয়ের রেজিস্টার দিপক শর্মা, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের রাজ্য সভানেত্রী মিলন রানী জমাতিয়া সহ অন্যান্যরা।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান