স্যন্দন
ডিজিটাল
ডেস্ক,
আগরতলা।
২ আগস্ট :সুশাসন জামানায় অভিযুক্ত বিজেপি নেতা ২৪ ঘণ্টার
মধ্যে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজেকে অপরাধমুক্ত
বানানো চেষ্টা করলেন। তার নাম কাজল
দাস। তিনি ক্ষত চিহ্নে
মলম লাগালেন। প্রতাপগড় বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত অজিত পল্লী এলাকায়
জমি মাফিয়ার উৎপাতের অভিযোগ উঠার ২৪ ঘন্টার
মধ্যে পাল্টা অভিযোগ তুলে দলীয় কর্মীদের
নিয়ে সরব হলেন বিজেপি
নেতা কাজল দাস। বিজেপি
নেতা কাজল দাসের কাছ
থেকে জানা যায়, রাজধানী
আগরতলার আড়ালিয়া যুগেন্দ্র নগরের অজিত পল্লী এলাকায়
একটি খালি জমিকে কেন্দ্র
করে নতুন করে উত্তেজনা
ছড়িয়েছে।
দীর্ঘদিন
ধরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হওয়া ওই জমির মালিকানা
নিয়ে দেখা দিয়েছে বিতর্ক।
এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও নিরপেক্ষ তদন্তের
দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এলাকাবাসীর দাবি, গত ২৫ থেকে
৩০ বছর ধরে ওই
খোলা জায়গায় এলাকার মহিলাসহ স্থানীয় বাসিন্দারা সম্মিলিতভাবে দুর্গাপূজার আয়োজন করে আসছেন। তাদের
আরও দাবি, প্রায় ৫০ বছর ধরে
জমিটির কোনো বৈধ মালিকানা
সামনে আসেনি। স্থানীয়দের অভিযোগ, জীবন দে ওরফে
দিপু দে নামে এক
ব্যক্তি সম্প্রতি ওই জমির জাল
নথি তৈরি করে বিক্রির
চেষ্টা করছেন এবং সম্ভাব্য ক্রেতাদের
জমিটি দেখাতে নিয়ে আসছেন। এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, জমি
সংক্রান্ত এই বিরোধকে কেন্দ্র
করে শাসক দলের নেতা
কাজল দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বিষয়টিকে রাজনৈতিক
রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাদের
বক্তব্য, এটি সম্পূর্ণভাবে এলাকার
মানুষের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট একটি বিষয়, এর
সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য
জড়িত নয়। স্থানীয় বাসিন্দারা
প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন,
জমিটির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হোক। যদি
বৈধ মালিক পাওয়া যায়, তাহলে আইন অনুযায়ী তার
হাতে জমি হস্তান্তর করা
হোক। আর যদি অন্যথা
হয়, তাহলে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও সামাজিক প্রয়োজনে
দুর্গাপূজার জন্য মাঠটি ব্যবহারের
ব্যবস্থা করা হোক। ইতিমধ্যেই
এই দাবিতে এসডিএম, তহশিল অফিস এবং স্থানীয়
কাউন্সিলরের কাছে লিখিত আবেদন
জমা দিয়েছেন এলাকাবাসী। পাশাপাশি, অভিযোগে যদি কোনো অনিয়ম
বা জালিয়াতির প্রমাণ হলে দোষীদের বিরুদ্ধে
দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
তবে বিজেপি নেতার দাবি, এখন নতুন করে
অভিযোগ তার স্ত্রীর দোকান
ভেঙ্গে দিয়েছে টোটন দে নামে
এক অভিযুক্ত। বিগত দিনেও দল
থেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
নেওয়া হয়েছিল বলে নিজের মুখেই
স্বীকার করলেন তিনি। তবে বিষয়টি এখন
কতটা রাষ্ট্রবাদী দল দ্বারা সুষ্ঠু
বিচার হবে সেটাই এখন
দেখার বিষয়। তবে সুশাসন জামানায়
রাষ্ট্রবাদীদের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ নাগরিকমহল। গেরুয়া রামাবলি পরিধান করে বিভিন্ন এলাকায়
ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করে রেখেছে তারা।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান