স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক নভেম্বর ১ : দিল্লির রামলীলা ময়দানে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপিকে একযোগ তোপ দাগলেন লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। এদিন বিরোধী মঞ্চ থেকে কংগ্রেসের নেতার বার্তা, “আমরা অহিংসাবাদী। নরেন্দ্র মোদি কিংবা অমিত শাহ আমাদের শত্রু না। কিন্তু মনে রাখতে হবে, তুমি যেই হও, সংবিধানের থেকে বড় না।” ‘ভোটচুরি’র পরিসংখ্যান তুলে ধরে রাহুল বলেন, “জ্ঞানেশ কুমারকে ইস্থফা দিতেই হবে।”
এদিন রাহুল গান্ধী দাবি করেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে সাড়ে ১৩ কোটি ভোটারকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। দেশের প্রতি সাতজন ভোটারের মধ্যে একজন বাদ পড়েন। এই হিসাবে এনডিএ-র জয়কে ‘মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেন কংগ্রেস নেতা। তিনি পরিসংখ্যান দেন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ‘এনডিএ’র সঙ্গে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের ভোট পার্থক্য ছিল মাত্র ৩ শতাংশ। সেই হিসাবে ২০২৪-এ এনডিএ তথা বিজেপির, নরেন্দ্র মোদির পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হওয়াকে বেআইনি বলে দাবি করেন রাহুল গান্ধী।
লোকসভায় বিরোধী দলনেতা দাবি করেন, ইভিএম-এ কারচুপি করেও ‘ভোটচুরি’ হয়েছে। এই কাজেই গেরুয়া দলের হয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। রাহুল বলেন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের মতোই পশ্চিমবঙ্গ, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচনেও অসংখ্য ভোটারকে বাদ দিয়ে, ইভিএমে কারচুপি করে নির্বাচনে জিতেছে বিজেপি। রামলীলা ময়দান থেকে রাহুল হুঙ্কার দেন, “আমি আজ বলে যাচ্ছি, জ্ঞানেশ কুমারকে ইস্তফা দিতেই হবে। বেচারা রাতে ঘুমোতে পারছে না।”
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান