Thursday, October 22, 2026
বাড়ি রাজ্য মায়ের গমন অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সরজমিনে খতিয়ে দেখলেন মেয়র, কার্নিভালের বিরোধিতা করলেন বিরোধী দলনেতা

মায়ের গমন অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সরজমিনে খতিয়ে দেখলেন মেয়র, কার্নিভালের বিরোধিতা করলেন বিরোধী দলনেতা

মায়ের গমন অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সরজমিনে খতিয়ে দেখলেন মেয়র, কার্নিভালের বিরোধিতা করলেন বিরোধী দলনেতা

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২২ অক্টোবর  : ২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে মায়ের গমন অনুষ্ঠান। মায়ের গমন অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চ করা হয়েছে মহারাণী তুলসীবতি বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে। তুলসীবতি বালিকা বিদ্যালয় থেকে দশমী ঘাট পর্যন্ত মায়ের গমন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জায়গায় জায়গায় ব্যারিকেড ও ওয়াচ টাওয়ার বসানো হয়। এদিকে মায়ের গমন অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে প্রস্তুতির কাজ প্রায় শেষ। অন্তিম পর্যায়ে চূড়ান্ত প্রস্তুতি সরজমিনে খতিয়ে দেখলেন আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার সহ অন্যান্যরা। মায়ের গমন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি পর্যালোচনা করেন তারা।

সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মেয়র দীপক মজুমদার জানান, ২০১৮ সালে রাজ্যে বর্তমান সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর পুজোর সংখ্যা বেড়েছে। আগে মানুষের পূজার ইচ্ছে থাকলেও করতে পারতেন না। তিনি জানান, প্রতি বছর মায়ের গমন অনুষ্ঠানের আকর্ষণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। মায়ের গমন অনুষ্ঠানকে ধীরে ধীরে জাতীয় স্তরে তুলে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে। এইবার মায়ের গমন অনুষ্ঠানে বিদেশের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন। তাদের সামনে ত্রিপুরার সংস্কৃতি ফুটিয়ে তোলা হবে।  এদিকে মায়ের গমন কার্নিভালে আমন্ত্রণ পাননি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী। তিনি বলেন বিগত বছর আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন। কিন্তু ভিড়ের কারণে যাওয়ার সুযোগ হয়নি। এবছর আগরতলায় থাকবেন না তিনি। পাশাপাশি কার্নিভাল নিয়ে তিনি বলেন, কার্নিভাল আমাদের সংস্কৃতির অঙ্গ নয়।

আমেরিকা, ব্রাজিল এবং দক্ষিণ আমেরিকার সংস্কৃতি অঙ্গ কার্নিভাল। মায়ের গমন ঠিক আছে। কিন্তু এর নাম দশমীর শোভাযাত্রা দিতে পারতো। কেন কার্নিভাল দেওয়া হল তা জানা নেই। অথচ, কিন্তু এই সরকার অন্যদের বিদেশি চিন্তা, বিদেশী মতবাদ, বিদেশি নেতা বলে। তাই নিজেদের আগে অনুসরণ করা দরকার। আরো বলেন, এই কার্নিভাল যাতে সুশৃংখলভাবে সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়। মায়ের গমন অনুষ্ঠান উপলক্ষে নাগেরজলা, বটতলা, জয়পুর, আগন্ত ক্লাব, জয়নগর অফিস লেন, ফায়ার সার্ভিস চৌমুহনী, আইজিএম চৌমুহনী, বীরেন্দ্র ক্লাব জ্যাকসন, গান্ধী ঘাট, আর এম এস চৌমুহনী, মধ্যপাড়া, ওরিয়েন্ট চৌমহনী, জ্যাকসন গেট সহ একাধিক রাস্তায় নো এন্টি থাকবে। জরুরী ভিত্তিতে রোগী, বিমান যাত্রী এবং রেল যাত্রীদের জন্য খোলা থাকবে হাঁপানিয়া-এডি নগর-উড়ালপুল-ফায়ার সার্ভিস চৌমুহনী-কের চৌমুহনি -শংকর চৌমুহনী-হারাধন সংঘ-উত্তর গেট সব কিছু রাস্তা। বিমান যাত্রী এবং রেল যাত্রীদের যাতায়াতের সময় গাড়িতে পাস লাগাতে হবে। পাশাপাশি টিকিট দেখাতে হবে। পার্কিং জোন হিসেবে থাকবে ঊজ্জয়ন্ত প্যালেস, আইজিএম চৌমুহনী, বটতলা টিআরটিসি সহ কিছু রাস্তার পাশে।

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha