স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১৪ আগস্ট : শুক্রবার এমবিবি কলেজের রবীন্দ্র হলে ‘দেশভাগ বিভীষিকা স্মৃতি দিবস’ পালন উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, হর ঘর তিরঙ্গা একটা বৃহৎ জন আন্দোলনে পরিণত হয়েছে সমগ্র দেশে। সরকারি ভাবে হর ঘর তিরঙ্গা অভিযানের অঙ্গ হিসাবে ৯ থেকে ১৭ আগস্ট বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচি গুলির মধ্যে একটি হল তিরঙ্গা মিছিল। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বর্তমানে দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বিকশিত ভারতের জন্য প্রধানমন্ত্রী ২০৪৭ সাল পর্যন্ত সময় সীমা বেধে দিয়েছেন।
মুখ্যমন্ত্রী
এইদিন আশা ব্যক্ত করেন হর ঘর তিরঙ্গা
ত্রিপুরা রাজ্যে সফল হবে। ‘দেশভাগ বিভীষিকা স্মৃতি দিবস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইতিহাসকে ভুলে গেলে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সামনে অনেক বাধা আসবে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশদের হাত থেকে মুক্ত হয় ভারতবর্ষ। ব্রিটিশরা
চলে গেছে কিন্তু দেশ ভাগ হয়ে দুইটি দেশ তৈরি হয়। এই বিষয়ে সকলকে
জানতে হবে। দেশ ভাগের যন্ত্রণা যদি জানা থাকে তবে নিজেদের মধ্যে হানাহানি বিদ্বেষ অনেকটা কম হবে। দেশ
ভাগের পর সাধারন মানুষ
যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদেরকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য বর্তমানে ‘দেশভাগ বিভীষিকা স্মৃতি দিবস পালন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী এই দিনটি পালন
করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তার পূর্বে আর কোন রাষ্ট্র
প্রধান এই দিনটি পালনের
আহ্বান জানান নি। অনুষ্ঠান শেষে এইদিন এমবিবি কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’
মিছিলের সূচনা করা হয়। মিছিলটি কলেজ টিলা এলাকা পরিক্রমা করে। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের অধিকর্তা, এমবিবি কলেজের অধ্যক্ষ ডঃ অর্জুন গোপ
সহ অন্যান্যরা।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান