Tuesday, October 27, 2026
বাড়ি রাজ্য ঘূর্ণিঝড়ে তার ছিঁড়ে ২৩৪ কিলোমিটার লাইন বিদ্যুৎ ছিন্ন, ৮২ টি ট্রান্সফর্মার বিকল এবং ৬৮৬ টি পোল ভেঙে গেছে : বিদ্যুৎ মন্ত্রী

ঘূর্ণিঝড়ে তার ছিঁড়ে ২৩৪ কিলোমিটার লাইন বিদ্যুৎ ছিন্ন, ৮২ টি ট্রান্সফর্মার বিকল এবং ৬৮৬ টি পোল ভেঙে গেছে : বিদ্যুৎ মন্ত্রী

ঘূর্ণিঝড়ে তার ছিঁড়ে ২৩৪ কিলোমিটার লাইন বিদ্যুৎ ছিন্ন, ৮২ টি ট্রান্সফর্মার বিকল এবং ৬৮৬ টি পোল ভেঙে গেছে : বিদ্যুৎ মন্ত্রী

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ২৮ মে : সোমবার ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে আগরতলা, মোহনপুর, জিরানিয়া, তেলিয়ামুড়া, ধর্মনগর, পানিসাগর, কাঞ্চনপুর, কুমারঘাট, কৈলাশহর, সিপাহীজলা, বিলোনিয়া সহ সারা রাজ্যের বিদ্যুৎ পরিষেবা অনেকটাই বিপর্যস্ত হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে যে তথ্য পাওয়া গেছে তাতে দেখাই যাচ্ছে, ছোট ও মাঝারি গাছ ভেঙে পড়ে  ৬৮৬ টি পোল ভেঙে গেছে, তার ছিঁড়ে ২৩৪ কিলোমিটার লাইন বিদ্যুৎ ছিন্ন হয়ে গেছে, ৮২ টি ট্রান্সফর্মার বিকল হয়ে গেছে।

 কিন্তু বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে সোমবার রাত থেকেই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কাজ করে চলেছে বিদ্যুৎ কর্মীরা। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান মন্ত্রী রতন লাল নাথ। তিনি আরো জানান, আজকের মধ্যে আগরতলার ৮০ শতাংশ বিদ্যুৎ সংস্কার হয়ে যাবে। মফস্বলে  আজকের মধ্যে ৫০ শতাংশ বিদ্যুৎ সংস্কার হয়ে যাবে। মন্ত্রী আরও জানান, মাঝে মধ্যে বিদ্যুৎ পরিষেবা মুখ থুবড়ে পরার পেছনে মূলত কারণ হলো এলাকার ট্রান্সফরমারের ক্ষমতার চেয়ে বেশি এলাকার বাড়ির ঘরে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা। কারণ দেখা যাচ্ছে বিশেষ করে আগরতলা শহরেই বিদ্যুৎ ব্যবহারের উপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

যেমন অনেক বাড়ি ঘরেই একাধিক এসি ব্যবহার করা হলেও সে বিষয়ে বিদ্যুৎ নিগমকে অবগত করা হচ্ছে না। যার ফলে এলাকার বিদ্যুৎ ট্রান্সফর্মার নষ্ট হয়ে পড়ছে। তাই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করার সময় বিদ্যুৎ নিগমের কর্মীদের অবগত করা অবশ্যই প্রয়োজন। আর বলেন, রাজ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোন ঘাটতি নেই বিদ্যুতের। রুখিয়া থেকে ১০০ শতাংশ বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে, পালাটানা থেকে পাওয়া যাচ্ছে ২৭ শতাংশ বিদ্যুৎ, গোমতী থেকে পাওয়া যাচ্ছে ১০০ শতাংশ বিদ্যুৎ, বড়মুড়া থেকে ৭৯ শতাংশ বিদ্যুৎ পাওয়া যায়, মনারচক থেকে ১০০ শতাংশ বিদ্যুৎ পাওয়া যায়, রামচন্দ্র ঘাট থেকে ৭৮ শতাংশ বিদ্যুৎ পাওয়া যায়। আবার রাজ্য থেকে ৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশকে দেওয়া হয়। যদি ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হয় তাহলে রাজ্য থেকে অন্য কোথাও বিদ্যুৎ দেওয়া বন্ধ রাখার চিন্তাভাবনা করা হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত বিদ্যুতের কোন ঘাটতি নেই বলে জানান মন্ত্রী রতন লাল নাথ। আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এদিন এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ নিগমের আধিকারিকরা।

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha