Thursday, November 5, 2026
বাড়ি রাজ্য সামাজিক ভাতা প্রদানের নামে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কার্যত হেনস্থা

সামাজিক ভাতা প্রদানের নামে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কার্যত হেনস্থা

সামাজিক ভাতা প্রদানের নামে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কার্যত হেনস্থা

 

 

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৫ নভেম্বর :  খোয়াই রাজস্ব সার্কেলের বিদ্যুতিন ভূমিলেখ্য উপ সমাহর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ে গিয়ে হতাশাগ্রস্ত বহু অসহায় মানুষ। অভিযোগ উঠেছে সামাজিক ভাতা প্রদানের নামে রাজ্যের সাধারণ মানুষের সঙ্গে কার্যত হেনস্থা করছে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর। মাত্র এক সপ্তাহ আগে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয় ৬ নভেম্বর আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। এত অল্প সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করে আবেদন জমা দিতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ।

ভাতার আবেদন করতে পঞ্চায়েত ও পুর পরিষদ থেকে আর ও আর এবং ডিসি ইনকাম সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার ইনকাম সার্টিফিকেটের জন্য আবেদনকারীদের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে আগামী সপ্তাহের মঙ্গলবার বা বুধবার আসতে বলা হয়। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন জমা দেওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। তাহলে সময় অতিবাহিত হবার পর সেই ইনকাম সার্টিফিকেট নিয়ে কি আবেদন কারিরা সেটাকে ধুইয়ে জল খাবেন? সেই প্রশ্নটাই করছেন অনেকেই। অন্যদিকে অভিযোগ, খোয়াইয়ের ডিসি সঞ্জয় চৌধুরী সকাল থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত অফিসে অনুপস্থিত। তাঁর কার্যালয়ে ঝুলছে তালা। এর ফলে আবেদনকারীরা সঠিক তথ্য ও পাচ্ছেন না। ৬ নভেম্বরের পর আবেদন জমার সময়সীমা বাড়ানো হবে কিনা, তা নিয়েও ধোঁয়াশা কাটছে না আবেদন কারিদের।ভাতার নামে এমন হয়রানিকে সরকারি দপ্তরের চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন আবেদনকারীরা। সাধারণ মানুষের প্রাপ্য ভাতা নিয়ে এমন অব্যবস্থাপনা ও প্রহসন বন্ধ করে অবিলম্বে আবেদন জমার সময়সীমা বৃদ্ধি করার দাবি উঠছে। অন্যথায় বহু যোগ্য আবেদনকারী সরকারি ভাতা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এখন দেখার বিষয় সরকার এই বিষয়ে কি চিন্তা ভাবনা করেন আবেদনকারীদের স্বার্থে।

 

 

 

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha