স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৬
অক্টোবর : লাটে
উঠেছে
কর্মসংস্কৃতি।
সরকারি
কর্মচারীদের
ছুটির
বহরে
বিভিন্ন
সরকারি
অফিসে
ভেঙে
পড়ছে
কাজকর্ম।
মানুষের
অত্যন্ত
অসহায়
অবস্থায়
দিন
কাটাতে
হচ্ছে।
এমন
এক
চিত্র
ফুটে
উঠলো
লক্ষ্মী
পূজার
পরের
দিন
সোমবার।
এদিন
কুমারঘাট
বিদ্যুৎ
নিগমের
কার্যালয়ে
এসে
তালা
ঝুলানো
পায়
ভোক্তারা।
দূরদূরান্ত
থেকে
বিদ্যুৎ
নিগমের
কার্যালয়ে
এসেছিলেন
প্রিপেইড
মিটারের
রিচার্জ
করতে।
এসে
সরকারি
বাবুদের
ছুটি
জানতে
পেরে
বিক্ষোভে
সামিল
হন
তারা।
তারা
বলেন
এটাই
ত্রিপুরার
পরিবর্তন।
মানুষের
দুর্ভোগের
কোন
গুরুত্ব
নেই।
রবিবার
লক্ষ্মীপূজা
গেছে,
অথচ
সোমবার
অফিস
বন্ধ
রেখেছে
সরকার।
দূর
দূরান্ত
থেকে
গাড়ি
ভাড়া
দিয়ে
বিদ্যুতের
রিচার্জ
করতে
এসেছিলেন।
বিদ্যুতের
রিচার্জ
করতে
কাজকর্ম
ফেলে
আসতে
হয়েছে।
কিন্তু
এসে
দেখতে
পান
বন্ধ।
এদিকে
বাড়িতে
বিদ্যুতের
লাইন
কেটে
দেওয়া
হয়েছে।
শিশু
থেকে
বৃদ্ধ
সকলে
অসহ্য
গরমের
যন্ত্রণায়
থাকতে
পারছেন
না।
কারো
যদি
কোন
রকম
শারীরিক
সমস্যা
হয়
এর
জন্য
দায়ী
হবে
সরকার
বলে
দাবি
করেন।
আরো
বলেন,
তাদের
জন্য
পুরনো
পোস্টপেইড
মিটার
ভালো
ছিল।
ডিজিটাল
পরিষেবার
কথা
বলে
প্রিপেইড
মিটার
দিয়ে
তাদের
সমস্যায়
ফেলেছে।
এর
থেকে
মুক্তি
চায়
তারা।
প্রতিমাসে
অসহনীয়
দুর্ভোগের
সম্মুখীন
তারা।
এর
মধ্যে
দিয়ে
সরকারি
ছুটির
কারণে
তাদের
হেস্তনেস্ত
হতে
হয়
বলে
জানান
এদিন।
পাশাপাশি
বলেন
যদি
অবিলম্বে
পুরনো
মিটার
পুনরায়
লাগিয়ে
দেওয়া
না
হয়
তাহলে
তারা
সড়ক
অবরোধ
পর্যন্ত
করতে
পারেন।
উল্লেখ্য,
বিভিন্ন
অনুষ্ঠানে
রাজ্যের
মন্ত্রী
বাহাদুর
দাবি
করেন
কর্মসংস্কৃতি
ফিরেছে।
কিন্তু
উল্লেখযোগ্য
বিষয়
হলো
সপ্তাহে
দুদিন
যদি
সরকারি
ছুটি
হয়,
তার
উপর
দিয়ে
রয়েছে
অন্যান্য
ছুটি।
এভাবে
একের
পরে
ছুটির
কারণে
মানুষের
কাজকর্মের
ব্যাপক
ব্যাঘাত
ঘটছে।
যে
সমস্ত
কাজকর্ম
দুদিনের
সম্পন্ন
করা
যায়,
তা
সরকারি
ছুটির
কারণে
১০
থেকে
১৫
দিন
লাগছে।
সরকারি
কাজকর্মের
হাল
হাকিকাৎ
একমাত্র
তারাই
ভালো
বলতে
পারবেন
যারা
প্রতিদিন
সরকারি
অফিস
কাচারিতে
ছোটাছুটি
করে
পায়ের
জুতা
ছিঁড়ছে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান