স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৪
অক্টোবর : সুশাসন
জামানায়
নেতা
নেত্রীর
আলিশান
গাড়ি-বাড়ি
হলেও,
ন্যূনতম
যাতায়াতের
রাস্তা
মিলছে
না
জনগণের।
প্রতিশ্রুতিক
বন্যা
বইয়ে
পাঁচ
বছর
অতিক্রান্ত
করে
ফেললেন
বহু
নেতা
নেত্রী।
এদিকে
সবকিছু
ঠিক
থাকলে
আগামী
এক
থেকে
দেড়
মাসের
মধ্যে
হবে
আগরতলা
পুর
নিগমের
নির্বাচন।
নির্বাচন
যতই
এগিয়ে
আসছে
ততই
কর্পোরেটরদের
প্রতি
মানুষের
রাগ
অভিমান
বিদ্বেষ
বাড়ছে।
ফ্ল্যাগ,
ফাস্টুন
দিয়ে
আর
মানুষের
মন
ভরছে
না।
এবার
যে
অভিযোগ
উঠে
এসেছে
সেটা
হল
খোদ
ডেপুটি
মেয়র
মনিকা
দাস
দত্তের
কাজকর্ম
নিয়ে।
তিনি
৪১
নং
ওয়ার্ডের
কর্পোরেটর।
ডেপুটি
মেয়র
মনিকা
দাস
দত্তের
এলাকার
অন্তর্ভুক্ত
মধ্য
প্রতাপগড়।
দীর্ঘ
১৫
বছর
ধরে
এলাকার
বাঁশের
সেতুটির
অবস্থা
জরাজীর্ণ।
প্রতিদিন
ছয়
পরিবার
এই
নড়বড়ে
বাঁশের
সাঁকো
দিয়ে
যাতায়াত
করছে।
এই
বাঁশের
সাঁকো
দিয়ে
যাতায়াত
করতে
গিয়ে
যেকোনো
সময়
বড়সড়
দুর্ঘটনাও
ঘটতে
পারে।
বিশেষ
করে
কোন
রোগী
বা
মৃতদেহ
সৎকারের
উদ্দেশ্যে
নিয়ে
যেতে
হলে
মহা
বিপদে
পড়েন
এলাকাবাসী।
গত
কয়েকদিন
আগে
এলাকার
এক
মহিলার
মৃতদেহ
নিয়ে
যাওয়ার
জন্য
বড়
সমস্যা
সৃষ্টি
হয়।
কারণ
বাঁশের
সাঁকোটি
দিয়ে
একসঙ্গে
চারজন
যাতায়াত
করতে
পারেন
না।
দীর্ঘদিন
ধরে
এলাকাবাসীর
দাবি
সেতুটি
স্থায়ীভাবে
তৈরি
করে
যাওয়ার
জন্য।
কিন্তু
আগের
কাউন্সিলর
অভিজিৎ
বাবু
বিষয়টি
গুরুত্ব
দেননি,
বর্তমান
কর্পোরেটর
মনিকা
দাস
দত্ত
শুধুমাত্র
প্রতিশ্রুতি
দিয়ে
চলেছেন
বলে
অভিযোগ।
নির্বাচন
যখন
দোরগোড়ায়
তখন
মানুষ
হতাশাগ্রস্ত
এবং
বিভিন্ন
ওয়ার্ড
এলাকার
মানুষের
মুখ
থেকে
রাগ
ক্ষোভ
প্রকাশ
হচ্ছে।
যার
প্রভাব
পড়তে
পারে
ভোট
ব্যাংকে।
তবে
মনিকা
দাস
দত্তের
কাজকর্মে
আরো
বেশি
অসন্তুষ্ট
রয়েছে
বিভিন্ন
এলাকার
মানুষজন।
নিজ
বাড়ি
নির্মাণ
হচ্ছে
কোটি
কোটি
টাকা
অর্থ
ব্যয়
করে।
অথচ
জনগণের
জন্য
কতটা
দায়বদ্ধ
তিনি,
এই
প্রশ্ন
আমজনতার।
এখন
দেখার
বিষয়
আসন্ন
নির্বাচনে
তিনি
টিকিট
পাওয়ার
দৌড়ে
মাইলেজ
পান
কিনা।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান