স্যন্দন ডিজিটাল
ডেস্ক,
আগরতলা।
২৩
আগস্ট
: শনিবার
সন্ধ্যা
থেকে
রবিবার
ভোর
পর্যন্ত
প্রবল
বৃষ্টিতে
আগরতলা
শহরের
বিভিন্ন
নিম্নাঞ্চল
গুলিতে
জল
উঠে
যায়।
মানুষের
বাড়ি
ঘরে
এবং
দোকানপাটে
প্রবেশ
করে
হাওড়া
নদী
এবং
কাটাখালের
জল।
বহু
পরিবার
রবিবার
সকাল
থেকে
বাড়িঘর
ছেড়ে
আশ্রয়
নেয়
ত্রান
শিবিরে।
বিশেষ
করে
আগরতলা
শহরের
বলদাখাল,
চন্দ্রপুর,
শ্রীলঙ্কা
বস্তি,
জয়পুর
সহ
একাধিক
এলাকায়
মানুষের
বাড়ি
ঘরে
জল
প্রবেশ
করে।
বিভিন্ন
ফাঁড়ি
রাস্তা
এবং
জাতীয়
সড়ক
জলের
নিচে
তলিয়ে
যায়।
বোর্ড
দিয়ে
জলমগ্ন
বাড়িঘর
থেকে
মানুষজনকে
উদ্ধার
করে
জিরানিয়া
মহাকুমা
প্রশাসন।
রবিবার বিকাল
৫
টার
নাগাদ
বলদাখাল
এবং
শ্রীলঙ্কা
বস্তির
পরিস্থিতি
সরজমিনে
খতিয়ে
দেখতে
যান
পশ্চিম
ত্রিপুরা
জেলা
শাসক
ডঃ
বিশাল
কুমার।
তিনি
জানান
পশ্চিম
ত্রিপুরা
জেলার
অন্তর্গত
সদর
মহকুমায়
ছয়টি
শরণার্থী
শিবির
এবং
জিরানিয়া
মহকুমা
তিনটি
শরণার্থী
শিবির
খোলা
হয়েছে।
আরো
দুই
থেকে
তিনটি
শরণার্থী
শিবির
খোলা
হতে
পারে।
এখন
পর্যন্ত
প্রায়
১০০০
পরিবার
আশ্রয়
নিয়েছে
শরণার্থী
শিবিরে।
তিনি
উদ্বেগ
প্রকাশ
করে
বলেন,
শনিবার
রাতের
বেলা
বড়মুড়া
পাহাড়ের
সবচেয়ে
বেশি
বৃষ্টিপাত
হওয়ায়
এই
বন্যা
সৃষ্টি
হয়েছে।
সবচেয়ে
উল্লেখযোগ্য
বিষয়
হলো,
বৃষ্টি
বন্ধ
হওয়ার
১২
ঘণ্টা
পরেও
নদীর
জল
বাড়ছে।
তবে
বন্যায়
এখন
পর্যন্ত
কোন
হতাহতের
খবর
নেই।
প্রশাসনিক
কর্মীরা
সাধারণ
মানুষের
পাশে
আছে।
নিরাপত্তার
বিষয়
খতিয়ে
দেখা
হচ্ছে।
বন্যা
শেষ
হলে
প্রশাসনের
পক্ষ
থেকে
ক্ষয়ক্ষতির
পরিমাণ
খতিয়ে
দেখে
আর্থিক
সহযোগিতা
করা
হবে
ক্ষতিগ্রস্তদের।
এমনটাই
জানিয়েছেন
জেলা
শাসক।
এ বিষয়ে
জিরানিয়া
মহকুমা
শাসক
অনিমেষ
ধরের
কাছে
জানতে
চাইলে
তিনি
জানান,
শনিবার
রাত
থেকে
বৃষ্টিতে
হাওড়া
নদীর
জল
বেড়ে
গেছে।
প্রায়
১০.৮৬
মিটার
দিয়ে
বইছে
নদীর
জল।
সবচেয়ে
উদ্বেগের
বিষয়
হলো
দীর্ঘ
সময়
ধরে
একই
অবস্থায়
রয়েছে
জলস্তর।
তবে
প্রশাসন
জলস্তর
না
নামা
পর্যন্ত
গোটা
এলাকাগুলি
নজরে
থাকবে।
মোট
পাঁচটি
বোর্ড
নামিয়ে
তিনদিনের
শিশু,
হৃদরোগের
রোগী
এবং
প্রতিবন্ধীকে
উদ্ধার
করেছে
প্রশাসন।
উদ্ধারের
দায়িত্ব
রয়েছেন
টিএসআর
-এর
দ্বিতীয়
ব্যাটেলিয়ান,
দশম
ব্যাটেলিয়ান,
এস.ডি.আর.এফ
সহ
লাইন
ডিপার্টমেন্টের
কর্মীরা।
তবে
কোন
বড়সড়
ক্ষয়ক্ষতির
খবর
নেই।
প্রশাসনের
পক্ষ
থেকে
চন্দ্রপুর,
পুরাতন
আগরতলা,
রানীরবাজার
এবং
মান্দাইয়ে
চারটি
শরণার্থী
শিবির
খোলা
হয়েছে।
এদিকে
খবর
পেয়ে
ঘটনাস্থলে
পৌঁছায়
খয়েরপুরের
বিধায়ক
রতন
চক্রবর্তী।
তিনি নিজের
মুখেই
স্বীকার
করলেন
প্রতিবছর
এলাকাগুলিতে
জল
জমে
মানুষের
ক্ষয়ক্ষতি
হয়।
বর্তমান
সরকার
প্রতিষ্ঠিত
হওয়ার
সাড়ে
আট
বছরে
সংশ্লিষ্ট
এলাকাগুলির
মানুষজনকে
কেন
বন্যা
থেকে
রক্ষা
করতে
পারল
না
সেই
প্রশ্ন
অবশ্যই
উঠতে
শুরু
করেছে।
কেন্দ্র
থেকে
এত
কোটি
কোটি
টাকা
রাজ্যে
আসার
পরেও
ঘাটতি
কোথায়?
সবচেয়ে
আশ্চর্যজনক
বিষয়
হলো
বলদাখাল
এলাকায়
একজন
মহিলা
রোগীকে
ঠ্যালাগাড়ি
দিয়ে
হাসপাতাল
নিয়ে
যেতে
হল
পরিবারের
লোকজনকে।
জানা
যায়,
রবিবার
সকালে
বাড়িতে
অসুস্থ
হয়ে
পড়েন
এই
বৃদ্ধ
মহিলা।
প্রশাসনের
এবং
স্থানীয়
জনপ্রতিনিধিদের
কাছে
না
পেয়ে
শেষ
পর্যন্ত
ঠ্যালা
ভাড়া
করে
নিজের
মাকে
নিয়ে
হাসপাতালের
উদ্দেশ্যে
রওনা
হলেন
এক
ব্যক্তি।
এমন
করুন
চিত্র
স্মার্ট
সিটির!
এদিকে
মান্দাই
থানা
থেকে
রবিবার
সকালে
প্রশাসনিক
কর্মীরা
২৬
পরিবারকে
উদ্ধার
করে
শরণার্থী
শিবিরে
নিয়ে
যায়।
তারা
শনিবার
রাত
থেকেই
আশ্রয়
নিতে
শুরু
করে
থানায়।
বাড়ি
ঘরে
জল
ঢুকে
যাওয়ায়
নিরুপায়
হয়ে
পড়েন
তারা।
তারা
থানায়
আসরে
নেওয়ার
পর
মহকুমা
প্রশাসন
থেকে
খবর
পেয়ে
দ্রুত
ঘটনাস্থলে
পৌঁছায়।
এক
ব্যক্তি
জানান
শনিবার
রাত
থেকে
কোন
কিছু
খায়নি।
রবিবার
সকালে
প্রশাসন
উদ্ধার
করে
তাদের
পাঁচ
প্যাকেটমুড়ি
ও
দুই
থেকে
তিনটি
জলের
বোতল
প্রদান
করে।
কিন্তু
তারপর
সকাল
১০
টা
পর্যন্ত
তাদের
জন্য
আর
কোন
খাবারের
বন্দোবস্ত
করেনি।
তারা
আরো
জানান,
রবিবার
তাদের
খবর
নিতে
আসেননি
এলাকার
বিধায়িকা
স্বপ্না
দেববর্মা
এবং
এমডিসি
জগদীশ
দেববর্মা।
জনপ্রতিনিধিদের
এমন
ভূমিকায়
নিন্দার
ঝড়
মানুষের
মধ্যে।
জনগণের
ভোটে
জয়ী
হয়ে
জনগণের
পাশেই
দাঁড়াতে
ভুলে
যান
তারা।
এদিকে
মুখ্যমন্ত্রী
ডাক্তার
মানিক
সাহা
সামাজিক
মাধ্যমে
জানান,
প্রবল
বর্ষণের
ফলে
পশ্চিম
ত্রিপুরা
জেলার
বিভিন্ন
এলাকা
প্লাবিত
হয়েছে।
পরিস্থিতির
উপর
সার্বক্ষণিক
নজর
রাখা
হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট
জেলা
শাসক
ও
মহকুমা
শাসকদের
প্রয়োজনীয়
ও
যথাযথ
ব্যবস্থা
গ্রহণের
জন্য
নির্দেশ
দেওয়া
হয়েছে।
দুর্গত
মানুষের
পাশে
থেকে
দ্রুত
ত্রাণ
ও
প্রয়োজনীয়
সহায়তা
পৌঁছে
দেওয়ার
জন্য
প্রশাসনকে
সক্রিয়ভাবে
কাজ
করতে
বলা
হয়েছে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান