Sunday, August 23, 2026
বাড়ি রাজ্য বর্তমান সরকারের মেয়াদ দেড় থেকে দুই বছর, কারণ আট বছরে প্রত্যেকের পেটে লাথি মেরেছে তারা : বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী

বর্তমান সরকারের মেয়াদ দেড় থেকে দুই বছর, কারণ আট বছরে প্রত্যেকের পেটে লাথি মেরেছে তারা : বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী

বর্তমান সরকারের মেয়াদ দেড় থেকে দুই বছর, কারণ আট বছরে প্রত্যেকের পেটে লাথি মেরেছে তারা : বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৩ আগস্ট : আগামী ২৭ আগস্ট থেকে শুরু হতে চলেছে ত্রিপুরা বিধানসভা অধিবেশন। বিধানসভা অধিবেশনের আগে মহার্ঘ ভাতার জন্য রাজ্য সরকারের নিদ্রা ভাঙতে রাজপথে নামলো বাম কর্মচারী সংগঠন। রবিবার আগরতলা শহরে ত্রিপুরা সরকারি কর্মচারী সমিতি এই মিছিল সংঘটিত করে। সপ্তম বেতন কমিশন অনুযায়ী কর্মচারীদের বিভিন্ন ভাতা বকেয়া উনিশ শতাংশ মহার্ঘ্য ভাতা অবিলম্বে প্রদান করার দাবি তুলেন।

বিশেষ করে কেন্দ্রের মতো রাজ্যেও অবিলম্বে অষ্টম বেতন কমিশন গঠন করতে দাবি তুলেন তারা। আগরতলা শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে প্যারাডাইস চৌমুহনি এলাকায় এসে একটি সভার অনুষ্ঠিত হয়। বামমার্গীয় কর্মচারীদের সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী। তিনি বলেন, রাজ্যে ৪৪ লক্ষ মানুষের দাবি অগণতান্ত্রিক পরিবেশ নামিয়ে এনেছে বিজেপি, তিপরা মথা আইপিএফটি জোট সরকার। এই সরকারের মেয়াদ আর মাত্র দেড় থেকে দুই বছর। নির্বাচনের দামামা বাজলে বিজেপি শিক্ষক কর্মচারী বেকারদের কাছে কল্পতরু হয়ে উঠে। দেশের এবং রাজ্যের জনগণকে ঠকানোর জন্যও বিভ্রান্ত করার জন্য তারা একের পর এক প্রতিশ্রুতি দেয়।

এভাবেই গত দুটি বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের প্রতিষ্ঠিত হয়ে গত আট বছর ধরে ত্রিপুরায় সরকার পরিচালনা করছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকার। গত বছরে রাজ্যের প্রত্যেক মানুষের পেটে লাথি দিয়েছে এই সরকার। রাজ্যে ২০১৮ সালে ভোটের আগে চার থেকে পাঁচ লাখ চাকুরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে যুবকদের চরিত্র নষ্ট করেছে। সমাজদ্রোহি বানিয়েছে এবং অত্যাচারে সঙ্গী করে রাজ্যের যৌবন নষ্ট করার চেষ্টা করেছে। যাতে তারা আগামী দিন চাকুরীর দাবি তুলতে কারোর সামনে গিয়ে দাঁড়াতে না পারে। তিনি আরো বলেন গ্রাম পাহাড়ের কিছু লোক রাতারাতি কোটিপতি হয়ে গেছে। একইসঙ্গে রাজ্যের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিয়ে সরকারকে কাঠগড়ায় তুললেন বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী।

 তিনি বলেন সুশৃংখল একটি সংস্থাকে ঘাটতি সংকটে মুখে ফেলেছে এই সরকার। কিছুদিন আগে বিদ্যুৎ মাশুল এবং বিভিন্ন চার্জ বৃদ্ধি করেছে। সারা রাজ্যের মানুষ যখন এর প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে তখন একশো শতাংশ ভর্তুকি দিয়ে সরকার আরো একটা খেলা খেলেছে বলে দাবি করলেন তিনি। তিনি সরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলন কোনভাবেই শীতল করা যাবে না। এদিন কর্মসূচির শেষে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি দাবী সনদ তুলে দেওয়া হয় বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী হাতে। বিরোধী দলনেতা তের দফা দাবি সনদটি হাতে নিয়ে কর্মচারীদের আশ্বস্ত করেন আসন্ন বিধানসভা অধিবেশনে তিনি এই বিষয়গুলি নিয়ে বিধানসভায় সোচ্চার হবেন। আয়োজিত কর্মসূচিতে এদিন সংগঠনের নেত্রী মহুয়া রায় সহ অন্যান্য নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha