স্যন্দন ডিজিটাল
ডেস্ক,
আগরতলা।
২১ আগস্ট : রাজ্যে রেশনিং ব্যবস্থা একেবারে মুখ থুবড়ে পড়ার উপক্রম হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিনির পর চালের উপর আঘাত নামিয়ে আনলো ডাবল ইঞ্জিন সরকার। বাজারে যখন চালের মূল্য কেজিতে এক লাফে ১০ থেকে ১২ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে তখন রেশনে চাল প্রতি কার্ড অনুযায়ী ২০ কেজি করে চাল নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। আগে মাথাপিছু পাঁচ কেজি করে চাল দেওয়া হতো ভোক্তাদের। এখন থেকে সেই সুবিধা তুলে দিয়েছে সরকার। অপরদিকে চিনির মূল্য বাজারে হুহু করে বাড়ছে। বর্তমানে চিনির মূল্য বাজারে ৭০ টাকা কিলো।
গত
দুমাস ধরে কোন রকম ঘোষণা ছাড়াই চিনি দেওয়া বন্ধ রেখেছে সরকার। ফলে যেখানে রেশনে প্রতি কিলো চিনির মূল্য ছিল ৩২ টাকা সেখানে গলাকাটা মূল্যে বাজার থেকে চিনি ক্রয় করতে হচ্ছে ভোক্তাদের। দুর্গাপূজার আগে চিনি মিলবে কিনা তারও কোন নিশ্চয়তা দিতে পারছে না কোন রেশন ডিলার। শুধু তাই নয়, আর রেশন থেকে চিনি মিলবে কিনা তারও কোন নিশ্চয়তা নেই। অথচ বর্তমান সরকার রেশনিং ব্যবস্থাকে মজবুত করার নাম করে ঢাক পেটাচ্ছে, আর অন্যদিকে রেশন তুলে দেওয়ার মত একের পর এক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। এদিকে শুক্রবার তিন দফা দাবিতে খাদ্য দপ্তরের অধিকর্তার নিকট ডেপুটেশন প্রদান করল সি.পি.আই.এম সদর মহকুমা কমিটি। সিপিআইএম সদর মহকুমা কমিটির পক্ষ থেকে ৬ জনের এক প্রতিনিধি দল খাদ্য দপ্তরের অধিকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে দপ্তরের অধিকর্তার হাতে ৩ দফা দাবি সম্বলিত স্মারক লিপি তুলে দেয়। প্রতিনিধি দলের ছিলেন সিপিআইএম সদর মহাকুমা কমিটির সম্পাদক অমল চক্রবর্তী, বিধায়ক সুদীপ সরকার সহ অন্যান্যরা। অমল চক্রবর্তী জানান দ্রব্য মূল অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তার উপর সরকারি ন্যায্য মূল্যের দোকানে সামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে না। তিন মাস ধরে রেশনসপে চিনি নেই। চাল কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যে ভয়ানক পরিস্থিতি। খাদ্য দপ্তরের অধিকর্তাকে এই বিষয়ে অবগত করা হয়েছে। রেশন সপে যে ডাল দেওয়া হচ্ছে তা খাওয়া যায় না।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান