Saturday, August 15, 2026
বাড়ি রাজ্য জলের দাবীতে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়কে নেমে অবরোধ

জলের দাবীতে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়কে নেমে অবরোধ

জলের দাবীতে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়কে নেমে অবরোধ

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা , ২ ফেব্রুয়ারি: জল জীবন মিশনে বাস্তবের রূপরেখা নেই |  দীর্ঘ দিন ধরে নেই পানীয় জল। তাই জলের দাবীতে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়কে নেমে অবরোধ করে গ্রামবাসীরা। ঘটনা ঊনকোটি জেলার কুমারঘাট মহকুমার পাবিয়াছড়া বিধানসভায়।   দীর্ঘ সাত দিন যাবৎ বাইরের ব্যবহারের জল তো দূরের কথা খাবার জল পাচ্ছেন না এলাকার লোকজন|

 কিন্তু প্রশাসন প্রকাশ্যে জল জীবন মিশনের নামে বাড়ী বাড়ী পরিশ্রুত পানীয় জল পৌছে দেবার কথা বললেও বাস্তবে সাধারন মানুষ সরকারের বিগত সাত বছরেও এর সুফল সঠিকমতো পাচ্ছেননা বলেই অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এবারে পানীয় জল না পেয়ে একেবারে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বসলো গ্রামের মানুষ। ঊনকোটি জেলার পাবিয়াছড়া বিধানসভাধীন কুমারঘাট পুর পরিষদ এলাকার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের ট্রাক সিন্টিগেট এলাকার মানুষের অভিযোগ দীর্ঘ মাস ধরেই তারা ভূগছেন পানীয় জলের সমস্যায়। গ্রামবাসীদের অভিযোগ গ্রামের শাসক দলীয় ওয়ার্ড সদস্য থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে এনিয়ে জানালেও তাদের কথা পাত্তা দিচ্ছেনা কেউই।এলাকায় জলের পাম্প মেশিনথাকা সত্ত্বেও সঠিকভাবে জল পাচ্ছেন না কারণ সেই চিন্তা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সেটাকে সাড়াই করারও উদ্যোগ নিচ্ছে না | জল যন্ত্রনায় রিতিমতো অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন গ্রামের মানুষ। বাধ্য হয়ে পানীয় জলের দাবীতে তারা অবরোধ করে জাতীয় সড়ক।

পূর্ব পরিষদের এই ওয়ার্ডটি একটি বিস্তীর্ণ এলাকা প্রায় 200 এর অধিক পরিবার বসবাস করে এই এলাকায় |তাদের স্থায়ী সমাধানের দাবিতেই বাধ্য হয়েই জলের খালি পাত্র নিয়ে তারা শুরু করেন আন্দোলন।এলাকার নারী পুরুষ থেকে শুরু করে শিশুরাও শামিল হন সেই আন্দোলনে | অবরোধের জেরে রাস্তায় দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকে দূরপাল্লার গাড়ী থেকে ছোট-বড়ো অনেক যানবাহন।  তারা সাফ জানালেন, জল না পেলে রাস্তা থেকে উঠবেননা তারা।ঘটনার খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ছুটে আসেন কুমারঘাট থানার পুলিশ সহ পানীয় জল দপ্তরের লোকজন। তরিঘড়ি গাড়ী করে গ্রামে পৌছানো হয় জল। পানীয় জল পেয়ে অবশেষে আন্দোলন প্রত্যাহার করেনেন আন্দোলনকারীরা।

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha