Friday, August 14, 2026
বাড়ি রাজ্য দুই মন্ত্রীর দপ্তর বন্টন, অপেক্ষা বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণার

দুই মন্ত্রীর দপ্তর বন্টন, অপেক্ষা বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণার

দুই মন্ত্রীর দপ্তর বন্টন, অপেক্ষা বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণার

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ১৫ মার্চ : সকল জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে রাজ্য মন্ত্রী সভার নয়া সদস্য অনিমেষ দেববর্মা ও প্রতিমন্ত্রী বৃষকেতু দেববর্মার মধ্যে বণ্টন করা হল দপ্তর। সত্যি হল গুঞ্জন। অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয় মন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মাকে। মন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মাকে দেওয়া হয়েছে বন দপ্তর, ⁠সাধারণ প্রশাসন (প্রিন্টিং এবং ষ্টেশনারী), ⁠বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রীর দায়িত্ব। অপরদিকে বৃষকেতু দেববর্মাকে শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের মন্ত্রী হলেন সান্তনা চাকমা।

সবকিছু বিবেচনা করলে দেখা যায় অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মাকে। আশানুরূপ দপ্তর পেলেন না প্রতিমন্ত্রী বৃষকেতু দেববর্মাও। উল্লেখ্য, ত্রিপাক্ষিক চুক্তির পর মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে তিপ্রা মথা সরাসরি ট্রেজারি বেঞ্চে এসে যোগ দিয়েছে। গ্রেটার তিপরাল্যান্ডের দাবি দূরে সরিয়ে মন্ত্রীত্বের আসনে এসে নিজেদের ক্লান্তি দূর করেছে। কিন্তু এই মন্ত্রিত্ব থেকে কতটা দাবি পূরণের জন্য আওয়াজ তুলতে পারবে সেটা এখন বড় বিষয়। এর মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো আগামী দিনের জন্য রাজ্যে বিরোধী দলনেতা হতে চলেছেন সিপিআইএম থেকে। সীলমোহর পর্বে জিতেন্দ্র চৌধুরী নামের উপর। ইতিমধ্যে মেলার মাঠ থেকে জিতেন্দ্র চৌধুরী নাম ত্রিপুরা বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে দ্রুত ঘোষণা হতে পারে বিরোধী দলনেতার নাম। রাজ্যে বিগত দিনে প্রধান বিরোধী দলনেতা তিপ্রা মথা থেকে ছিলেন অনিমেষ দেববর্মা। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত একটি পদে বসে থেকে তিনি রাজ্যের জলন্ত ইস্যু নিয়ে কখনো আওয়াজ তুলতে দেখেনি কেউ, এমনটাই অভিমত রাজনৈতিক মহলের।

সংবাদ মাধ্যমে বিরোধী দলনেতার নিষ্ক্রিয় ভূমিকার বিষয়ে বহুবার খবর প্রকাশ হওয়ার পর বিধানসভার কক্ষে বসে রাজ্যবাসীকে দেখাতে শুধু নিয়ম রক্ষা করেছেন তিনি। প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএম না হলেও, বিরোধী দলনেতা ভূমিকা পালন করেছেন সিপিআইএম থেকেই জিতেন্দ্র চৌধুরী। সেই নিরিখে দল জিতেন্দ্র চৌধুরী নামের উপরে সীল-মোহর দিয়েছেন। এখন ত্রিপুরা বিধানসভা থেকে সবুজ সংকেতের অপেক্ষা।

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha