স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ১৯ ফেব্রুয়ারি : কুকুর, বিড়াল ও বানরের কামড় এবং আঁচড় পর তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালে এসে রোগীর প্রতিষেধক মিলছে না। গত এক মাস ধরে প্রতিষেধক শূন্যতায় ভুগছে এই মহকুমা হাসপাতালে আসা রোগীরা। এ বিষয়ে জানান এস ডি এম ও ডাক্তার চন্দন দেববর্মা।
বিনামূল্যে হাসপাতাল থেকে এই প্রতিষেধক পাওয়ার কথা থাকলেও প্রতিষেধক হাসপাতালের বাইরের বিভিন্ন দোকান থেকে চড়া দামে কিনতেও বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। জানা যায়, রবিবার রাতে তেলিয়ামুড়ায় এক শিশুকে কুকুর কামড় দেয়। তারপর পরিবারের লোকজন তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালে শিশুটিকে নিয়ে আসলে হাসপাতাল থেকে বলে দেওয়া হয় প্রতিষেধক নেই। তারপর হাসপাতালে বাইরে এক দোকান থেকে প্রতিষেধক ক্রয় করে আনতে হয় শিশুটির পিতার।
এই বিষয় নিয়ে সোমবার তেলিয়ামুড়া মহকুমা স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাক্তার চন্দন দেববর্মার সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, গত এক মাস ধরে সংশ্লিষ্ট ভ্যাকসিন শূন্যতায় ভুগছে মহকুমা হাসপাতাল। শুধু মহাকুমা হাসপাতাল নয়, খোয়াই জেলার অন্যান্য হাসপাতালে প্রতিষেধক মিলছে না। পাশাপাশি জানান ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের গোচরে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে। তবে কবে নাগাদ এই প্রতিষেধক রোগীদের বিনামূল্যে আবার হাসপাতাল থেকে মিলবে সে বিষয়ে কোন কিছুই বলতে পারেন নি তিনি। এভাবে নিজের পকেটে অর্থ বের করে সাধারণ মানুষের প্রতিষেধক ক্রয় করা কষ্টকর হয়ে পড়ছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা এই বিষয়ে অবগত থাকলেও চরম গাফিলতি করে প্রতিষেধকে ব্যবস্থা করছে না সেটা স্পষ্ট মহকুমা স্বাস্থ্য আধিকারিকের কোথায়। এবং বিশেষ করে মহাকুমা স্বাস্থ্য প্রশাসন যে এ বিষয়ে পুরোপুরিভাবে দায়িত্বজ্ঞানহীন সেটাও বুঝা গেছে এদিন।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান