Wednesday, August 12, 2026
বাড়ি রাজ্য আখাউড়া রোডে ট্রেন নির্মাণের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়ে গেলে স্থায়ীভাবে মশার উপদ্রব থেকে রেহাই পাবে শহরবাসী : মেয়র

আখাউড়া রোডে ট্রেন নির্মাণের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়ে গেলে স্থায়ীভাবে মশার উপদ্রব থেকে রেহাই পাবে শহরবাসী : মেয়র

আখাউড়া রোডে ট্রেন নির্মাণের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়ে গেলে স্থায়ীভাবে মশার উপদ্রব থেকে রেহাই পাবে শহরবাসী : মেয়র

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ২২ ডিসেম্বর : আখাউড়া রোডে খালের উপর ড্রেনের নির্মাণ কাজ চলছে। শুক্রবার এই নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন আগরতলা পুর নিগমের  মেয়র দীপক মজুমদার। সঙ্গে ছিলেন নিগমের কমিশনার শৈলাস  কুমার যাদব সহ বিভিন্ন আধিকারিকরা। এই ড্রেন নির্মাণের কাজ পরিদর্শনের সময় নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার জানিয়েছেন আগরতলা শহরে মশার উপদ্রব বেড়েছে এ নিয়ে একটা অভিযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে পুর নিগমের ধারণা আখাউড়া রোডে এই খালটিকে বাধ দিয়ে ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে। এই বাদ দিয়ে ড্রেন নির্মাণ করার ফলে শহরের বিভিন্ন ড্রেনে জল জমে থাকে।

 স্বাভাবিকভাবে ড্রেন গুলিতে  জল জমে থাকার ফলে মশার সৃষ্টি হচ্ছে এবং উপদ্রব বেড়ে চলেছে। এখানকার ড্রেনের জল নিষ্কাশনই ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়ে গেলে মশার উপদ্রব কমে যাবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। তিনি জানান আখাউড়া রোডে এই ড্রেন নির্মাণ কাজের জন্য খালে তৈরি করা বাধ খানিকটা কেটে দিলে রাজধানী আগরতলার ট্রেনগুলোর জল নিষ্কাশনি ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়ে উঠবে এবং মশার উপদ্রব কমে যাবে।  এই ড্রেনের নির্মাণ কাজের পরিপ্রেক্ষিতে মশার উপদ্রব বেড়ে গেলে রাজ্যবাসীকে এর সঙ্গে খানিকটা মানিয়ে নিতে হবে।  এও জানান তিনি। যদিও আগরতলা পুর নিগম অন্তর্গত এলাকায় প্রতিনিয়ত মেশিনের সাহায্যে মশার ওষধ দেওয়া হচ্ছে। মশা তাড়ানোর জন্য পৃথক স্প্রে মেশিন রয়েছে। এই কাজে নিযুক্ত আলাদা লোক ও রয়েছে। এরপরেও শুক্রবার আখাউড়া রোডে এই খালের ওপর ড্রেন নির্মাণের কাজ পরিদর্শন করতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট এজেন্সি পূর্ত দপ্তর এবং ইঞ্জিনিয়াররা প্রত্যেকে মিলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ড্রেন নির্মাণ করতে গিয়ে খালের ওপর তৈরি করা বাধ কেটে দেওয়ার।

এই তৈরি করা বাঁধ খানিকটা কেটে দিলে রাজধানী আগরতলার ড্রেনগুলোর জল নিষ্কাশনি ব্যবস্থা খানিকটা স্বাভাবিক হয়ে উঠবে। তখন মশার উপদ্রব অনেকটাই কমে যাবে। আর এই ড্রেন নির্মাণের কাজ শেষ হয়ে গেলে স্থায়ীভাবে মশার উপদ্রব থেকে রেহাই পাবে শহরবাসী। আগামী দু-তিন মাসের মধ্যেই এই ড্রেন নির্মাণের কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদী। এই খালের পার্শ্ববর্তী এলাকাতে ঘনবসতি রয়েছে। সে ক্ষেত্রে এখানকার ঘরবাড়ি গুলোকে বাঁচিয়ে ড্রেন নির্মাণ করতে হচ্ছে। কিন্তু বাঁধ দিয়ে ড্রেন নির্মাণ না করলে আশেপাশের ঘরবাড়ি গুলোর ক্ষতি হতে পারে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন মেয়র দীপক মজুমদার। এই ড্রেন নির্মানের ফলে শহরবাসীর সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। আগরতলা শহরে এই প্রথম কোন খালের উপর কভার ড্রেন নির্মাণ কাজ করা হচ্ছে। কাজেই বড় কাজ করতে গেলে সকলকে কিছুটা সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে এটাই স্বাভাবিক। ড্রেনের জল নিষ্কাশনি ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি বর্ষায় যাতে রাস্তায় জল না জমে এই বিষয়টাও মাথায় রাখতে হচ্ছে পুর নিগমকে। বর্ষার সময় আগরতলার ড্রেনগুলোতে জল জমে যায়। যার কারণে শহরের পাম্পগুলো এই জল নিষ্কাশনি ব্যবস্থার জন্য সব সময় সচল রাখা হয়। প্রয়োজনে আরো কিছু জায়গায় পাম্প বসানো হবে। এমনটাই জানিয়েছেন নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার।

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha