Tuesday, October 20, 2026
বাড়ি রাজ্য দুই ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু

দুই ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু

দুই ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২০ অক্টোবর : ​অষ্টমীর রাতে ধর্মনগরে দুই ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু। ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁদের বাবা বিজন দাস সহ একাধিক হুমকি প্রদানকারীর বিরুদ্ধে ধর্মনগর ছাড়াই অভিযোগ দায়ের করেছে। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ধর্মনগর থানার অন্তর্গত পশ্চিম দেওয়ানপাশা গ্রামের ৬ নং ওয়ার্ডের দুই ভাই শুভদীপ রায় চৌধুরী ও জয়দীপ রায় চৌধুরীর সন্দেহজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে সোমবার রাতে। এই ঘটনায় তাঁদের বাবা সমীরণ রায় চৌধুরী বোয়াকান্দি এলাকার বাসিন্দা বিজন দাস সহ আরো কয়েকজনের বিরুদ্ধে ধর্মনগর থানায় এক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

 জানা যায়, গত রবিবার রাত আনুমানিক সাড়ে এগারোটা নাগাদ দেওয়ান পাশা অগ্রণী সংঘ ও বোয়াকান্দি এলাকার বাদশা টিলা সংলগ্ন হাইওয়ে এলাকায় একটি স্থানীয় বিবাদ মীমাংসা করতে গিয়ে শুভদীপ ও জয়দীপ হুমকির মুখে পড়েন। অভিযোগ অনুযায়ী, বোয়াকান্দি এলাকার বাসিন্দা রণধীর চন্দ্র দাসের ছেলে বিজন দাস সেখানে তাঁদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন। পরদিন অর্থাৎ সোমবার সকাল থেকে দুই ভাইয়ের ফোনে একাধিক হুমকি মূলক কল আসে বলে মৃত ২ যুবকের বাবা দাবি করেছেন। রাত সাড়ে নয়টা নাগাদ বোয়াকান্দি এলাকা থেকে শুভদীপ ও জয়দীপের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের বাবা সমীরণ রায় চৌধুরী অভিযোগে উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী প্রাণনাশের হুমকি ও ঘটনার পারিপার্শ্বিকতার ভিত্তিতে এই মৃত্যুর পেছনে বিজন দাস ও তাঁর সহযোগীদের হাত থাকার তীব্র সন্দেহ রয়েছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।

তবে স্থানীয় সূত্রে খবর অনুযায়ী এই বিজন দাস রবিবার রাতে হামলা করার প্রস্তুতি করেছিল এবং বিবেক বর্ধনকে আটকে রেখেছিল ওই বিতর্কিত এলাকায়। পরে বিবেক বর্ধনের বাড়ির লোকজনেরা তাকে ছাড়িয়ে আনে। তাদের মধ্যে আর্থিক লেনদেনের ব্যাপারকে ঘিরে এই বিতর্কের সৃষ্টি হয় বলে জানা যায়। এদিকে আহত বিজন দাস অভিযোগ করেছে বিবেক বর্ধন আকাশ দাস এবং বিশাল নাকি তাকে বেধড়ক মারধর করেছে।জয়দীপ রায়চৌধুরী ও শুভদীপ রায় চৌধুরীর বাবা সমিরন রায় চৌধুরীর লিখিত অভিযোগ মূলে ধর্মনগর থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করে দিয়েছে।

 বর্তমানে বিজন দাস ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আইনত কাউকে গ্রেফতার করা যায় না। যার জন্য পুলিশ তাকে বিশেষ নজরদারিতে রেখেছে।

 

 

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha