স্যন্দন ডিজিটাল
ডেস্ক,
আগরতলা।
২১ আগস্ট : রাতে না ঘুমিয়ে চোর পাহারা দেওয়ার ইতিহাস রয়েছে রাজ্যে। নিস্কর্মা পুলিশ প্রশাসনের কারণে নেশার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চুরির ঘটনা আগরতলা শহরে লাগামহীন ভাবে বেড়ে চলেছে। এক প্রকার ভাবে মানুষের ঘুম কেড়ে নিয়েছে চোরের দল। চোরের টিকিট নাগাল পাচ্ছে না পুলিশ। অধিকাংশ ঘটনায় ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে চলেছে ত্রিপুরা পুলিশ।
গত কয়েকদিন ধরে লাগাতার একাধিক চুরির ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। চিত্তরঞ্জন রোড, শিবনগর, কালিকাপুর সহ একাধিক জায়গায় চুরির ঘটনা সংঘটিত হওয়ার পর এবার রাজধানীর অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকা হকার্স কর্নার খোশবাগান কালী মন্দিরে চুরির ঘটনা সংঘটিত হয়। সিসি ক্যামেরার রেকর্ডে মন্দির কমিটি দেখতে পায় একজন চোর এসে এই চুরির ঘটনা সংগঠিত করেছে। পুরোহিত জানান, শুক্রবার সকালে সাড়ে পাঁচটা নাগাদ তিনি মন্দির খুলতে এসে দেখেন বাইরে ত্রিশূল পড়ে আছে। তারপর সন্দেহ হয়। পরে দেখেন মন্দিরের দরজা ভাঙ্গা। শনি মন্দির এবং গণেশ মন্দিরের প্রণামী বাক্সের টাকা লুট করে নিয়ে যায় চোর। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি জানানো হয়েছে মন্দির কমিটিকে। মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে পশ্চিম আগরতলা থানায়।
কিন্তু এর আগেও এই ধরনের চুরির ঘটনা দুবার ঘটেছে মন্দিরে। কিন্তু পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি। মন্দির চত্বরে ছয়টি সিসি ক্যামেরা থাকার পরেও চোরের দল মন্দির কমিটিকে দুঃসাহস দেখিয়ে চলেছে বলে মনে করছে আশেপাশের লোকজন। তবে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে দাবি উঠেছে এলাকাটি বাণিজ্যিক এলাকা। তাই পুলিশের টহলদারি বাড়ানোর প্রয়োজন। পাশাপাশি পশ্চিম আগরতলা থানার ১০০ থেকে দেড়শো মিটার দূরে এত বড় ঘটনা ঘটে যাওয়া নিয়েও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে স্থানীয়রা। তবে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে আগরতলা শহরে পর্যাপ্ত পরিমাণে সিসি ক্যামেরা থাকার পরও কেন পুলিশ চোরের নাগাল পাচ্ছে না? এর পেছনে বড় কোন অদৃশ্য কারণ রয়েছে কিনা সেটাই এখন প্রশ্ন।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান