স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১৪ আগস্ট : রক্তের বিকল্প নেই। মানব সেবায় রক্তদানের চেয়ে বড় কোন দান হয় না। তাই রক্তদান মহৎ দান। এই রক্তদানে রাজ্যের অন্যতম বড় ভূমিকা পালন করে চলেছে প্রধান বিরোধী দলে ছাত্র যুব সংগঠন। আর সেই রক্তদানে বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে বিগত দিনে কলঙ্কিত হয়েছিল রাজ্যের শাসক দল। সেই কলঙ্ক যেন দ্বিতীয়বার রচনা করতে চাইছে ১৮ সূর্যমনি নগর অর্থাৎ উপাধ্যক্ষ রাম প্রসাদ পালের বিধানসভা কেন্দ্রের মন্ডল সভাপতি। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করে রেখেছেন অভিযুক্ত মন্ডল সভাপতি। মানব সেবামূলক রক্তদান শিবিরে আজ পর্যন্ত কোন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়নি।
বরং,
রক্তদানে বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রবাদী দল বিজেপি এবং
সরকারকে বদনাম করলেন মন্ডল সভাপতি। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ডি ওয়াই এফ
আই -র রাজ্য সম্পাদক
নবারুণ দেব বলেন, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শনিবার এক রক্তদান শিবিরের
আয়োজন করার উদ্যোগ নেয় তাঁর নিজ বাসভবনে। তারপর থেকে গত কয়েকদিন ধরে
তার বাড়িতে ডেকোরেটারের কাজ করতে আসা শ্রমিকদের বাধা দিচ্ছে স্থানীয় বিজেপির দুর্বৃত্তরা। শাসকদলের নেতা সুকান্ত পাল ২৫ থেকে ৩০
জন দুর্বৃত্ত নিয়ে হামলা চালায় এবং বিভিন্নভাবে হুমকি দেনকি দেয়।
তারপর শ্রমিকরা কাজ ছেড়ে চলে যায়। এরপর সাহস করে এক ডেকোরেটরের টিম শুক্রবার সকালে এগিয়ে আসেন। তারা কাজ করার সময় দুপুর বেলা আচমকা মন্ডল সভাপতি এবং সুকান্ত পালের নেতৃত্বে বাড়িতে এসে হামলা চালায়। শ্রমিকদের মারধর করে। এবং নবারুণের পরিবারের মহিলা ও শিশু সহ অন্যান্যদের প্রাননাশের হুমকি দিয়ে বলেন, যদি রক্তদান শিবির করেন তাহলে বাড়ির লোকজনদের রক্ত বাজারে নিয়ে ফেলবেন। এই ঘটনার পর রক্তদান শিবির নিয়ে আশঙ্কা দেখা দেয় বলে জানান নবারুণ। তিনি আরো বলেন, বিজেপি কখনো স্বাধীনতা মানে না। দেশদ্রোহী না হলে তারা এমন ঘটনা করতে পারে না। তিনি আরো বলেন শাসকদলের হয়ে পুলিশ কাজ করছে। থানার ওসি, এসপি এবং আইজি সকলকে রক্তদান শিবিরের জন্য চিঠি দিলেন তারা কেউই নিরাপত্তা দিতে চিঠি গ্রহণ করেন নি। আগামী ১৬ আগস্ট রাজ্য পুলিশের মহা নির্দেশকের দ্বারস্থ হয়ে দাবি করবেন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহী মামলা গ্রহণ করার জন্য। নাহলে আন্দোলনে নামবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান