স্যন্দন ডিজিটাল
ডেস্ক, আগরতলা। ৭ আগস্ট
: মানুষ সচেতন
হয়েছে বলেই বিরোধীদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এখন বিরোধীদের কাছে কোন পুঁজি নেই। তাই তারা সরকারের ভালো কাজের বিরোধিতা করছে। মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। নভেম্বর মাসে আসন্ন পুর নির্বাচনে আগরতলা পৌর নিগমের ভোট। ভোটে ৫১ টি আসনের
মধ্যে ৫১ টি আসনেই
ভারতীয় জনতা পার্টি বিপুল ভোটে প্রতিষ্ঠিত হবে। শুক্রবার আগরতলা শহর পরিদর্শনে বের হয়ে এ কথা বললেন
আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার। এদিন মেয়র দীপক মজুমদার নিগমের কমিশনার, স্মার্ট সিটি, নগর উন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিক সহ অন্যান্য আধিকারিক
ও কর্পোরেটরদের নিয়ে স্মার্ট সিটির ওরিয়েন্ট চৌমহনী, আইজিএম চৌমুহনী সহ বিভিন্ন এলাকা
পরিদর্শন করেন।
তিনি বলেন, বিগত দিনে আগরতলা শহর কি ছিল এবং
বর্তমানে কি আছে সেটা
আগরতলা বাসী অবগত রয়েছে। মানুষ প্রত্যক্ষ করছে শহরে কাজ হচ্ছে। শহরের জল জমলে ঘন্টাখানেকের
মধ্যেই নেমে যায়। বিগত দিনে জল তিন থেকে
চার দিন থাকতো। এগুলি থেকে মুক্তি পেয়েছে শহরবাসী। এমনটাই অভিমত ব্যক্ত করলেন মেয়র দীপক মজুমদার। এদিকে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করল প্রদেশ কংগ্রেস। আগরতলাকে স্মার্ট সিটি বানানোর নামে সাধারন মানুষের কোটি কোটি করের টাকা লুটের সুযোগ করে দিয়ে গোটা আগরতলা বাসিকে নরক যন্ত্রনায় ডুবিয়ে দেওয়ার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে এইদিনের মিছিল সংগঠিত করা হয়।
মিছিলটি প্রদেশ কংগ্রেস ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে আগরতলা শহরের বিভিন্ন রাস্তা পরিক্রমা করে প্যারাডাইস চৌমুহনীতে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত হয় পথ সভা। এইদিনের মিছিল ও পথ সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রবীর চক্রবর্তী, সদর জেলা কংগ্রেস সভাপতি সহ অন্যান্যরা। প্রবীর চক্রবর্তী জানান, দেশ এবং রাজ্যে অরাজকতা, দুর্নীতি, গণতন্ত্র হীনতা ও উন্নয়নের অর্থ চুরি চলছে। বিশেষ করে স্মার্ট সিটির উন্নয়নের নামে অবাধে অর্থ লুট করে আগরতলা শহর নরকে পরিণত করেছে। এরই প্রতিবাদে আজকের কংগ্রেসের কর্মসূচি বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি আরো বলেন, নগর উন্নয়ন দপ্তরে ডেপুটেশন প্রদান করার কথা থাকলেও পুলিশ প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি না পাওয়ার কারণে তারা মিছিল করে ওরিয়েন্ট চৌমুহনী পর্যন্ত যেতে পারেনি। এর তীব্র নিন্দা জানান তিনি। উল্লেখ্য, স্মার্ট সিটি নিয়ে শাসক বিরোধী যে ভাষায় কথা বলুক না কেন অল্পবৃষ্টিতে শহরের অলিগলি সর্বত্র জলে থৈথৈ করে। রাস্তাঘাট ভেঙে চৌচির। চলাচলের অযোগ্য গোটা শহরের রাস্তাঘাট। অল্প বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়লে বহু যানবাহন দুর্ঘটনা পড়ে। বিশেষ করে দ্বিচক্রের যান বহন গুলির অবস্থা একেবারে কাহিল। এদিকে আগরতলা শহরের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার হল বটতলা বাজার। কিন্তু শহরের বুক চিরে যাওয়া উড়াল পুলের নিচে অর্থাৎ বাজারের প্রবেশ মুখে জাতীয় সড়কের পাশে তৈরি হয়ে আছে নরক কুন্ড। দুর্গন্ধ এবং খানাখন্দের বিষাক্ত জল জমে এলাকার পরিবেশ দূষিত হয়ে থাকছে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ২৪ ঘন্টা। অথচ তারপরেও বুক ঠুকে দাবি করছে স্মার্ট সিটি!
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান