স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২২ জুন : ত্রিপুরা এবং সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতের রোগীদের জন্য বিশ্বমানের ও উন্নত মাল্টি-স্পেশালিটি চিকিৎসা পরিষেবা আরও সহজলভ্য করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করল হায়দরাবাদের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান 'যশোদা হসপিটালস'। আজ আগরতলায় আয়োজিত এক সংবাদিক সম্মেলনে হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি বিশেষ দল উপস্থিত ছিলেন। এই দলে নেফ্রোলজি, পালমোনোলজি, কার্ডিওলজি, ইউরোলজি, স্পাইন সার্জারি, অর্থোপেডিক্স, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, নিউরোলজি, পেডিয়াট্রিক্স, অঙ্কোলজি এবং ক্রিটিক্যাল কেয়ারের মতো বিভিন্ন বিভাগের দিকপাল চিকিৎসকেরা অংশ নেন। চিকিৎসকেরা জানান, যশোদা হসপিটালস উন্নত রোবোটিক সার্জারি, মিনিম্যালি ইনভেসিভ ইন্টারভেনশন, জটিল অঙ্গের যত্ন এবং ক্যানসার চিকিৎসার মতো আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসার মাধ্যমে এই অঞ্চলের রোগীদের বিশ্বমানের সেবা প্রদানে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রোগীদের যাতায়াত ও চিকিৎসার সুবিধার্থে যশোদা হসপিটালস বেশ কিছু বিশেষ ও সাশ্রয়ী এবং সহায়ক পরিষেবা চালু করেছে। হায়দরাবাদে চিকিৎসা চলাকালীন রোগীদের সহায়তার জন্য থাকছেন ডেডিকেটেড বাংলাভাষী কো-অর্ডিনেটর এবং রোগী ও তাদের পরিজনদের জন্য ঘরোয়া স্বাস্থ্যসম্মত বাঙালি খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া মাত্র ৭৫০ টাকা থেকে শুরু হওয়া সাশ্রয়ী গেস্ট হাউস আবাসন, হায়দরাবাদ বিমানবন্দর ও রেল স্টেশন থেকে বিনামূল্যে আনা-নেওয়ার সুবিধা এবং বিমান ও ট্রেনের টিকিট বুকিংয়ে সহায়তার ব্যবস্থাও রয়েছে। অত্যন্ত সংকটজনক রোগীদের দ্রুত স্থানান্তরের জন্য এয়ার ও ট্রেন অ্যাম্বুলেন্সের বিশেষ সমন্বয় পরিষেবা প্রদান করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, যা দূরদূরান্তের রোগীদের চিকিৎসাযাত্রাকে আরও সহজ ও দুশ্চিন্তামুক্ত করবে।
যশোদা হসপিটালসের কর্পোরেট রিলেশনস বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট বি. এন. মাকেশ এবং সোমাজিগুণ্ডা শাখার মার্কেটিং হেড সত্যনারায়ণ রেড্ডি ভি. জানান, ভৌগোলিক দূরত্ব নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষের কাছে উন্নত চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য। ত্রিপুরা ও উত্তর-পূর্ব ভারতের রোগীরা যেভাবে যশোদা হসপিটালসের ওপর আস্থা রাখছেন, তার প্রতি সম্মান জানিয়ে তারা এই বিশেষ পরিচ্ছন্ন ও রোগী-কেন্দ্রিক উদ্যোগ নিয়েছেন। উল্লেখ্য, বিগত তিন দশক ধরে চিকিৎসার ক্ষেত্রে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে যশোদা গ্রুপ। বর্তমানে হায়দরাবাদের সোমাজিগুণ্ডা, সেকেন্দ্রাবাদ, মালাকপেট এবং হাইটেক সিটিতে ছড়িয়ে থাকা ৪টি অত্যাধুনিক হাসপাতালের মাধ্যমে মোট ৪,০০০ শয্যা নিয়ে এই গোষ্ঠী সাশ্রয়ী মূল্যে এবং সহানুভূতিশীলতার সাথে বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে চলেছে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান