Saturday, August 15, 2026
বাড়ি রাজ্য চিটফান্ড কান্ডে তিনজনকে দোষী করে জেলে পাঠালো সিবিআই স্পেশাল কোর্ট

চিটফান্ড কান্ডে তিনজনকে দোষী করে জেলে পাঠালো সিবিআই স্পেশাল কোর্ট

চিটফান্ড কান্ডে তিনজনকে দোষী করে জেলে পাঠালো সিবিআই স্পেশাল কোর্ট

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৩০ মে : শনিবার রাজ্যের চিটফান্ডের বিরুদ্ধে বড় রায় ঘোষণা করলো সিবিআই স্পেশাল কোর্ট। জেল ও জরিমানা করা হল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। চিটফান্ড কোম্পানির নাম প্রগতিশীল ইনফ্রা অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড। সিবিআই স্পেশাল কোর্টের স্পেশাল পিপি প্রসেনজিৎ সাহার কাছ থেকে জানা যায়, প্রগতিশীল ইনফ্রা অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড ২০০৯ সালে রাজ্যে থাবা-বসায়। প্রথমে তাদের কৈলাশহরে শাখা ছিল।

ধীরে ধীরে তাদের সাত থেকে আট শতাধিক গ্রাহক হয়ে উঠে রাজ্যে। তারপরেই প্রতারণার ছক কষে এই কোম্পানি। ২০১১ সাল থেকে এই কোম্পানি মেচুরিটি পেমেন্ট দেওয়া বন্ধ করে দেয় গ্রাহকদের। ২০১২ সালে সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা প্রতারণা শিকার হয়ে মামলা করেন গ্রাহকরা। তারপর সিবিআই তদন্ত হয়। সিবিআই আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। তারপর সাতজন আদালতে সাক্ষী হয়। এরপর সিবিআই স্পেশাল কোর্টের পক্ষ থেকে শনিবার এই মামলার রায় হয়। স্পেশাল জার্জ সিবিআই কোর্ট পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার প্রিসাইডিং অফিসার দেবাসিস কর শনিবার রায় দেন। তিনজনকে দোষী সাব্যস্ত করে।

 তারা হলো সি এম ডি অরিন্দম দাস, অ্যাডমিনিস্ট্রেটি ভ ডাইরেক্টর দীপশিখা চক্রবর্তী দাস এবং ম্যানেজিং ডাইরেক্টর পরিতোষ দাস। তাদের সাজা হয় ৪২০ আইপিসি ১২০ বি আইপিসি "আন্ডার সেকশন 3" পিপিআই। ১২০ বি-তে তাদের পাঁচ বছরের জেল এবং এক লাখ টাকা জরিমানা, ৪২০ তে পাঁচ বছরের জেল এবং এক লাখ টাকা জরিমানা, পিপিআই সেকশন থ্রিতে দেওয়া হয়েছে ছয় বছরের জেল এবং এক লাখ টাকা জরিমানা হয়। পাশাপাশি কোম্পানিকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং আইপিসি তে এক লাখ টাকা এবং ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তিন মাসের মধ্যে এই অর্থ মিটিয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে জেলা শাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বেনিফিশিয়ারিদের সনাক্ত করে তাদের কাছ থেকে প্রমাণ নিয়ে যেন এসেট থেকে টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হয় বলে জানান তিনি। পরবর্তী সময় ৩ অভিযুক্তকে জেলে পাঠানো হয়।

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha