স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক ২২ অক্টোবর : কুখ্যাত জঙ্গি দাউদ ইব্রাহিম ভারতে বসবাস করত। তার গ্যাং ‘ডি কোম্পানি’ও ভারতের। সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘের সন্ত্রাস দমন ও মানবাধিকার বিষয়ক পর্যবেক্ষকের একটি ‘ত্রুটিপূর্ণ’ প্রতিবেদনে তেমনটাই দাবি করা হয়েছে। এরপরই শোরগোল পড়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রসংঘের পর্যবেক্ষকের সমালোচনায় মুখর হল ভারত। পাশাপাশি, ওসামা বিন লাদেনের কথা মনে করিয়ে কড়া জবাব দিল নয়াদিল্লি।
গত জুলাই মাসে “মানবাধিকার রক্ষায় সংগঠিত অপরাধ ও সন্ত্রাসবাদের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ” শীর্ষক প্রতিবেদনে বিশেষ পর্যবেক্ষক বেন সল দাউদের ‘ডি-কোম্পানি’কে ভারতের বলে উল্লেখ করেন। উল্লেখ্য, বিশেষ পর্যবেক্ষকরা রাষ্ট্রসংঘের কাছ থেকে সরাসরি কোনও পারিশ্রমিক পান না। তাই প্রভাবমুক্ত থেকে স্বাধীনভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে হয় তাঁদের। এহেন ‘ত্রুটিপূর্ণ’ রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই উদ্বেগ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের প্রতিনিধি রঘু পুরী। তাঁর দাবি, রিপোর্টটি তথ্যগত অসঙ্গতিতে ভরা। এর জন্য সলের জবাবদিহিও চেয়েছে নয়াদিল্লি।
পুরী স্পষ্ট বলেন, “২০০৩ সালে সন্ত্রাসবাদী হিসাবে তালিকাভুক্ত হওয়ার অনেক আগেই দাউদ ভারত থেকে পালিয়ে যায়। অন্য একটি দেশে গিয়ে আল-কায়েদা ও ওসামা বিন লাদেনের ঘনিষ্ঠতা বাড়ায়। সে কারণেই তিনি জঙ্গি হিসাবে চিহ্নিত হন।” এই মন্তব্যের মাধ্যমে পুরী আসলে পাকিস্তানকেই কটাক্ষ করেছেন। তিনি আরও বলেন, “আজ পর্যন্ত দাউদ ভারতেও একজন পলাতক অপরাধী। রাষ্ট্রসংঘের তালিকা অনুযায়ী, তিনি এমন একটি দেশে বসবাস করছেন, যেখানে লাদেনকে খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল এবং নিকেশ করা হয়েছিল।” পুরীর কথায়, “১৯৯৩ সাল থেকে ভারতে বিভিন্ন সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ডি-কোম্পানি এবং দাউদ ইব্রাহিমকে খুঁজছে ভারত। ১২৬৭ নিষেধাজ্ঞা কাঠামোর আওতায় তাদের তালিকাভুক্ত করার কারণগুলি স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।”
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান