স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ২৪ সেপ্টেম্বর : মোট জন সংখ্যার ৬৫ শতাংশ যুব। এইটা অনেকের সহ্য হচ্ছে না। ইচ্ছাকৃত ভাবে রাজ্যে নেশা সামগ্রী ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। রাজ্য থেকে বহিঃরাজ্যে গাঁজা পাচার হয়। আবার বহিঃরাজ্য থেকে নেশা সামগ্রী রাজ্যে আসে। রাজ্যকে করিডোর হিসাবে ব্যবহার করে এই সকল নেশা সামগ্রী পাচার করা হয়। বিদ্যালয়ে শিক্ষক শিক্ষিকাদের নজর রাখতে হবে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি। কেউ যদি নেশা সেবন করে তাঁকে চিহ্নিত করতে হবে।
বিদ্যালয়ের বাইরেও সকলকে সচেতন থাকতে হবে। নেশার বিরুদ্ধে সকলকে রুখে দাড়াতে হবে। ত্রিপুরা রাজ্যকে নেশা মুক্ত রাজ্যে পরিণত করার জন্য নেশা মুক্ত অভিযান শুরু করা হয়েছে। নেশার বিরদ্ধে আপোষহীন নিতি নিয়ে কাজ করছে রাজ্য সরকার। সিট গঠন করা হয়েছে। নেশার কারনে বহু পরিবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। রাতারাতি ধনী হওয়ার লোভে অনেকে নেশা বাণিজ্যের সাথে যুক্ত হয়ে গেছে। পুলিশ ধারাবাহিক ভাবে নেশার বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে।
নেশা বিরোধী অভিযান আন্দোলনের রুপ না নিলে নেশার নির্মূল করা সম্ভব হবে না বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। ত্রিপুরা রাজ্য এন.এস.এস সেল ও ত্রিপুরা যুব বিষয়ক ক্রিয়া দপ্তরের উদ্যোগে রবিবার ৫৫ তম এন.এস.এস দিবসে এ কথা বলেন মু্খ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা।"নেশা মুক্ত ত্রিপুরা" শীর্ষক এক সেমিনারের আয়োজন করা হয় রাজধানীর রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, কারা নেশা সামগ্রী বিক্রয় করছে সেই বিষয়ে পুলিশকে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আরও জানান তথ্য প্রদানকারিদের নাম গোপন রাখা হবে। পুলিশকে তথ্য প্রদান করলে কাজ করার ক্ষেত্রে পুলিশের অনেকটা সুবিধা হবে। উন্নয়নের কোন শেষ নেই। উন্নয়নকে ধরে রাখতে হবে। আগামিদিনে যারা দেশ গড়ার কারিগর তাদের উপর উন্নয়ন নির্ভর করবে। সেখানে এনএসএস-এর একটা বড় ভুমিকা রয়েছে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। দেশের প্রধানমন্ত্রী সর্বদা যুব সমাজকে নিয়ে চিন্তা করেন। দেশের মুল সম্পদ যুব সমাজ। অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতে সেই সম্পদ বেশি রয়েছে। এইদিনের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী টিঙ্কু রায়, ক্রীড়া দপ্তরের অধিকর্তা সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। সেমিনারে এইদিন রাজধানীর বিভিন্ন বিদ্যালয়ের এনএসএস ইউনিটের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান