Tuesday, October 27, 2026
বাড়ি রাজ্য ছয় মাস ধরে জল জীবন মিশনের পাইপ ফুটো হয়ে রাস্তা দিয়ে গড়াচ্ছে পানীয় জল

ছয় মাস ধরে জল জীবন মিশনের পাইপ ফুটো হয়ে রাস্তা দিয়ে গড়াচ্ছে পানীয় জল

ছয় মাস ধরে জল জীবন মিশনের পাইপ ফুটো হয়ে রাস্তা দিয়ে গড়াচ্ছে পানীয় জল

 

 

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৭ অক্টোবর : একদিকে পানীয় জলের জন্য মানুষের ভোগান্তি, অন্যদিকে দিনের পর দিন পাইপ ফুটো হয়ে অনবরত নষ্ট হচ্ছে জল। অথচ প্রায় ছয় মাস ধরে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে গ্রামবাসীদের মধ্যে। এই অভিযোগ দুর্গা চৌমুহনি আর.ডি. ব্লকের অন্তর্গত কুচাইনালা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার। গ্রামবাসীর অভিযোগ, এলাকায় জল জীবন মিশন প্রকল্পের অধীনে পানীয় জল সরবরাহের জন্য বসানো পাইপের একটি অংশ ফুটো হয়ে রয়েছে।

 এর ফলে দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস ধরে সেই ফুটো পাইপ দিয়ে প্রতিনিয়ত জল বেরিয়ে রাস্তায় পড়ছে। যে জল মানুষের পানীয় জলের চাহিদা মেটাতে কাজে লাগতে পারত, সেই মূল্যবান জলই এভাবে নষ্ট হচ্ছে দিনের পর দিন। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, এই জল অপচয়ের সমস্যা নিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানো হয়েছে বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। কিন্তু প্রতিবারই সমস্যাটি মেরামত করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে এখনও পর্যন্ত স্থায়ী কোনও সমাধান মেলেনি। ফলে দিনের পর দিন একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে তাদের।গ্রামবাসীর বক্তব্য, জল জীবন মিশনের মূল উদ্দেশ্যই হল সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া। অথচ সেই প্রকল্পের জলই যদি পাইপ ফুটো হয়ে রাস্তায় গড়িয়ে নষ্ট হয়, তাহলে প্রকল্পের সুফল কতটা নিশ্চিত হচ্ছে, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের আক্ষেপ, ফুটো পাইপ দিয়ে যে পরিমাণ জল প্রতিদিন নষ্ট হচ্ছে, সেই জল যদি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করে মানুষের কাজে লাগানো যেত, তাহলে অনেকেরই জলের অভাব থাকতো না।

বিশেষ করে পানীয় জলের প্রয়োজনীয়তা যেখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সেখানে এভাবে জলের অপচয় কোনওভাবেই কাম্য নয় বলে মনে করছেন তারা। এখন গ্রামবাসীদের মূল দাবি, আর আশ্বাস নয়—দ্রুত ফুটো পাইপ মেরামত করে জল অপচয় বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি, দীর্ঘ ছয় মাস ধরে সমস্যাটি কেন সমাধান করা সম্ভব হয়নি, তা খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তারা। এখন দেখার বিষয়, কুচাইনালা গ্রাম পঞ্চায়েত ও সংশ্লিষ্ট জল সরবরাহ দপ্তর কবে এই সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসে। নাকি মূল্যবান পানীয় জল এভাবেই আরও দিনের পর দিন নষ্ট হতে থাকবে—সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকাবাসীর মধ্যে।

 

 

 

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha