স্যন্দন
ডিজিটাল
ডেস্ক,
আগরতলা।
১০ আগস্ট : একদিকে যেমন জাতীয় সড়কের অবস্থা বেহাল, অপরদিকে
আগরতলা স্মার্ট সিটির রাস্তাঘাটের অবস্থা অত্যন্ত বেহাল। চলাচলের অযোগ্য রাস্তাঘাট
নিয়ে মানুষ তিতি বিরক্ত বোধ করছে। বিভিন্ন জায়গায় জাতীয় সড়ক অবরোধের দৃশ্যও সামনে
উঠে এসেছে গত কয়েক দিনে। শুধু তাই নয় রাজ্যের মন্ত্রী পর্যন্ত জাতীয় সড়কে ফেঁসে
গিয়েছিলেন। এই খবরগুলি যখন সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম দখল করেছে তখন তড়িঘড়ি বৈঠকে বসেন
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা নেতৃত্বে পূর্ত দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে,
স্মার্ট সিটি অধিকারিক থেকে শুরু করে অন্যান্য দপ্তরের আধিকারিকরা।
৮ আগস্ট রাতের
বেলা এই বৈঠকের পর সোমবার সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখ খুললেন পূর্ত দপ্তরের সচিব কিরণ
গিত্যে। এদিন সচিবালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি বলেন, অর্থের অভাব নেই। অবিলম্বে
রাজ্যের রাস্তাঘাট সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিশেষ করে চোরাই
বাড়ি থেকে আগরতলা ১০৫ কিলোমিটার জাতীয় সড়ক, আমবাসা থেকে মঙ্গিয়াকামী সড়ক, কমলপুরে
১৮ কিলোমিটার সড়ক। তিনি বলেন চলতি বছর মার্চ মাস থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। রাস্তা
সংস্কারের জন্য ৬০ দিনের টেন্ডার দেওয়া হয়। বৃষ্টির জন্য সঠিকভাবে কাজ করা সম্ভব
হচ্ছে না। তবে রাজ্যের যে সমস্ত রাস্তাঘাট এবং সেতুর সংস্কারের প্রয়োজন সেগুলো নিয়ে
স্থানীয় পূর্ত দফতরের আধিকারিকদের অবগত করতে বলেন তিনি। পূর্ত দপ্তরের আধিকারিকরা
অভিযোগ অনুযায়ী সরজমিনে রাস্তা পরিদর্শন করে সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। প্রতিবছর
সাড়ে ৪০০ কোটি টাকা রাস্তাঘাট সংস্কারের জন্য বরাদ্দ করা হয় বাজেট থেকে। সব মিলিয়ে
জাতীয় সড়ক সংস্কারে সাড়ে ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়। আসন্ন দুর্গাপূজার
আগে দেড় থেকে ২০০ কোটি টাকার কাজ করা হবে। তারপর বাকি কাজ করা হবে। তবে যেসব রাস্তা
দিয়ে ছাত্রছাত্রীরা চলাফেরা করে, রোগী নিয়ে যাতায়াত করা হয় এবং মানুষ পূজা দেখতে
যায় সেসব রাস্তা আগে বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান