Wednesday, August 12, 2026
বাড়ি রাজ্য ছাত্র খুনের ঘটনায় জড়িত দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে রাস্তায় নামল শিক্ষক শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রীরা

ছাত্র খুনের ঘটনায় জড়িত দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে রাস্তায় নামল শিক্ষক শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রীরা

ছাত্র খুনের ঘটনায় জড়িত দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে রাস্তায় নামল শিক্ষক শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রীরা

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৭ নভেম্বর : আমরা বিচার চাই - এই স্লোগান তুলে দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র খুনের ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নামলো উত্তর ত্রিপুরা জেলার শনিছড়া এলাকার ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। আট বছরের শিশু অমৃত সিনহা গত সোমবার দুপুরে কভিনেন্ট স্কুল ছুটির পর মা বিজয়া সিনহার সঙ্গে নদিয়াপুরের বাড়ির উদ্দেশ্যে আসছিল। পথে অর্জুন টিলা এলাকায় পৌঁছামাত্রই অজ্ঞাত দুষ্কৃতীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মা ও ছেলের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় অমৃত সিনহার।

 গুরুতর আহত অবস্থায় বিজয়া সিনহাকে উদ্ধার করে আসামের শিলচরের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন। ঘটনার পর তদন্তে নেমে চুরাইবাড়ি থানার পুলিশ নদিয়াপুর ছয় নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মদন গোপাল সিনহাকে গ্রেফতার করে। তাকে তিন দিনের পুলিশি রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, এই ঘটনার সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারে। ঘটনার তদন্ত করছে চুরাইবাড়ি থানার পুলিশ। এদিকে অমৃতের নির্মম হত্যাকাণ্ডে শোক ও ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন কভিনেন্ট স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা। স্কুলের এক শিক্ষক বলেন, এ ধরনের রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড সভ্য সমাজে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অমৃত বেঁচে থাকলে ভবিষ্যতে আইএএস, আইপিএস, এমনকি দেশের রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীও হতে পারত।

 কিন্তু একটি নিষ্পাপ ফুল ফুটবার আগেই তাকে নির্মমভাবে ঝরে যেতে হলো। তিনি এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চেয়ে রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন এবং মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাদের দাবি, অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি, এমনকি ফাঁসিও নিশ্চিত করতে হবে। আরো লক্ষ্য করা গেছে গাড়ির মধ্যে পর্যন্ত স্টিকার লাগিয়ে মানুষ সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছে শনির ছড়া এলাকায়। বর্তমানে গোটা শনিছড়া ও আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তবে সাধারণ মানুষের একটাই দাবি— দ্রুত ও ন্যায় বিচারের।

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha