স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক,১৫ ফেব্রুয়ারি: প্যারিসে বুধবার রাতে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে ২-০ গোলে জিতেছে লুইস এনরিকের দল।গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধে এমবাপে দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর ব্যবধান বাড়ান বারকোলা।প্রথমার্ধে বাজে খেলে পিএসজি। এই সময়ে গোলের জন্য মাত্র ৪টি শট নিয়ে একটি লক্ষ্যে রাখতে পারে তারা। সেখানে দ্বিতীয়ার্ধে ১০টি শট নিয়ে ৫টি লক্ষ্যে রাখে ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা। পুরো ম্যাচে সোসিয়েদাদের ৯ শটের একটিও লক্ষ্যে ছিল না।
অ্যাঙ্কেলের চোটে গত শনিবার লিগ আঁতে লিলের বিপক্ষে দলের ৩-১ গোলে জয়ের ম্যাচে খেলতে পারেননি এমবাপে। সোসিয়েদাদের বিপক্ষে ফিরে তিনিই প্রথম সুযোগ পান ষষ্ঠ মিনিটে। স্বদেশী উসমান দেম্বেলের পাস থেকে ফরাসি তারকার ডান পায়ের নিচু শট ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক।প্রথমার্ধের বাকি সময়ে স্বাগতিকরা আর খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। এই সময়ে বরং তাদের রক্ষণে বেশ কয়েকবার ভীতি ছড়ায় সফরকারীরা।বিরতির ঠিক আগে গোল প্রায় পেয়েই যাচ্ছিল সোসিয়েদাদ। ২৫ গজ দূর থেকে স্প্যানিশ মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনোর বাঁ পায়ের শট ক্রসবারে লাগে।দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে সোসিয়েদাদের ওপর চাপ বাড়ায় পিএসজি। ৫৮তম মিনিটে গোলের দেখা পায় তারা। কর্নারে মার্কিনিয়োসের হেড পাসে দূরের পোস্টে ভলিতে বল জালে পাঠান অরক্ষিত এমবাপে।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৬৮ ম্যাচে এমবাপের গোল হলো ৪৪টি। তিনি ছাড়িয়ে গেলেন ৪৩ গোল করা সাবেক ক্লাব সতীর্থ নেইমারকে।চলতি মৌসুমে পিএসজির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩০ ম্যাচে এমবাপের ৩১তম গোল এটি। এর মধ্যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৭ ম্যাচে তার গোল ৪টি।৬৪তম মিনিটে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোল পেতে পারতেন এমবাপে। বক্সের বাইরে থেকে তার ডান পায়ের জোরাল শটে বল গোলরক্ষকের হাত ছুঁয়ে ক্রসবারে লাগে।৭০তম মিনিটে চমৎকার গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বারকোলা। ফাবিয়ান রুইসের পাস বাঁ দিকে পেয়ে প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারের বাধা পেরিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। নিচু শটে আগুয়ান গোলরক্ষকের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে জাল খুঁজে নেন তরুণ ফরাসি ফরোয়ার্ড।শেষ দিকে মার্কো আসেন্সিওর প্রচেষ্টা গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দিলে ব্যবধান আর বাড়েনি।আগামী ৫ মার্চ সোসিয়েদাদের মাঠে হবে ফিরতি লিগ।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান