Tuesday, October 13, 2026
বাড়ি জাতীয় কুম্ভমেলার সেই ১৯ নম্বর সেক্টরে ফের আগুন ঘিরে ছড়াল আতঙ্ক।

কুম্ভমেলার সেই ১৯ নম্বর সেক্টরে ফের আগুন ঘিরে ছড়াল আতঙ্ক।

কুম্ভমেলার সেই ১৯ নম্বর সেক্টরে ফের আগুন ঘিরে ছড়াল আতঙ্ক।

স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক, ০৯ ফেব্রুয়ারি : কুম্ভমেলার সেই ১৯ নম্বর সেক্টরে ফের আগুন ঘিরে ছড়াল আতঙ্ক। এর আগে গত জানুয়ারি মাসেও এই ১৯ নম্বর সেক্টরেই আগুন ধরে প্রচুর তাঁবু পুড়ে যায়। সেই আতঙ্কের রেশ কাটতে না কাটতেই রবিবার দুপুরে ফের আগুন লাগল কুম্ভমেলার ১৯ নম্বর সেক্টরে। আগুনে পুড়ে গিয়েছে একটি তাঁবু। তবে কারও আহত হওয়ার খবর নেই। প্রাথমিক ভাবে দমকলের অনুমান, তাঁবুর মধ্যে একটি গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিক করে আগুন ধরেছিল। আগুনের খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের তিনটি ইঞ্জিন। মিনিট দশেকের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন দমকলকর্মীরা।

প্রয়াগরাজের কুম্ভমেলায় পর পর অগ্নিকাণ্ড ঘিরে প্রশ্নের মুখে পড়েছে উত্তরপ্রদেশের সরকার। গত ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে কুম্ভমেলা। চলবে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরই মধ্যে তিনটি বড় অগ্নিকাণ্ড এবং বেশ কিছু ছোট ছোট অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে গিয়েছে কুম্ভে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, কুম্ভমেলার একটি ‘কল্পবাসী’ তাঁবুতে রবিবার আগুন লাগে। কুম্ভমেলা প্রাঙ্গণে প্রচুর অস্থায়ী থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তার মধ্যে একটি ‘কল্পবাসী টাউনশিপ’। সেখানের অস্থায়ী তাঁবুগুলির মধ্যেই একটিতে আগুন ধরে যায়। কুম্ভের মুখ্য দমকল আধিকারিক প্রমোদ শর্মা পিটিআইকে জানান, ওমপ্রকাশ পাণ্ডে সেবা সংস্থানের বসানো একটি তাঁবুতে আগুন লাগার খবর পান তাঁরা। দমকলের তিনটি ইঞ্জিন পাঠানো হয় ঘটনাস্থলে।

এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি কুম্ভমেলার ১৯ নম্বর সেক্টরে সিলিন্ডার ফেটে আগুন ধরেছিল। তাতে এক ডজনেরও বেশি তাঁবু পুড়ে যায়। এর পরে গত ২৫ জানুয়ারি ফের আগুন লাগে কুম্ভের ২ নম্বর সেক্টরে দাঁড়িয়ে থাকা দু’টি গাড়িতে। গত শুক্রবারও কুম্ভের ১৮ নম্বর সেক্টরে ইস্‌কনের তাঁবুতে আগুন লাগে। আশপাশের বেশ কিছু তাঁবুতে সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্তত ২০টি তাঁবু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গত সোমবারও বেলুন বিস্ফোরণ হয়ে ঝলসে যান ছয় পুণ্যার্থী। পর পর এই ঘটনাগুলির জেরে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের ব্যবস্থাপনা নিয়ে। কুম্ভমেলার আয়োজনের জন্য অনেক দিন ধরেই প্রস্তুতি নিয়ে এসেছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। তার পরেও একের পর এক ঘটনা কী ভাবে ঘটছে, তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে প্রশাসনকে।

Subrata Debnath
Subrata Debnath https://syandanpatrika.in
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha