Friday, August 14, 2026
বাড়ি জাতীয় ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের নীল নকশা রচনা করছে পাকিস্তান!

ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের নীল নকশা রচনা করছে পাকিস্তান!

ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের নীল নকশা রচনা করছে পাকিস্তান!

স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক, ০৫ ফেব্রুয়ারি : ভয়ংকর সন্ত্রাসের প্রত্যাঘাতে প্যালেস্টাইন থেকে কার্যত উৎখাত হয়েছে হামাস। এই জঙ্গি সংগঠনকে অস্ত্র করে এবার ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের নীল নকশা রচনা করছে পাকিস্তান! এবার তেমনই আভাষ মিলল গোয়েন্দা সূত্রে। জানা যাচ্ছে, অধিকৃত কাশ্মীরে লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্যালেস্টাইনের সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হামাস।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা যাচ্ছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে প্রতিবছর ৫ ফেব্রুয়ারি একতা দিবস পালন করে পাকিস্তান। সরকার আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মূলত ভারত বিরোধী প্রোপাগান্ডা রচিত হয়। যেখানে হাজির থাকে জঙ্গি সংগঠনগুলির শীর্ষ নেতারা। এবার সেই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আনা হচ্ছে হামাস কমান্ডার তথা মুখপাত্র খালিদ কদৌমিকে। এই কর্মসূচীতে উপস্থিত থাকবে লস্কর ও জইশ সংগঠনের শীর্ষ জঙ্গিরা। কাশ্মীরকে অশান্ত করতে এই তিন জঙ্গি সংগঠনের একজোট হওয়া ভারতের জন্য যথেষ্ট উদ্বেগের। এই ঘটনা উপত্যকায় সন্ত্রাসবাদে উস্কানির পাশাপাশি রয়েছে আরও বড় ষড়যন্ত্রের আভাষ।

গোয়েন্দা সূত্রের খবর, পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে চাইছে জম্মু ও কাশ্মীরের ইস্যুকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরতে। যদিও সেই মঞ্চে মিথ্যাচার চালিয়েও বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি পাকিস্তান। এবার হামাস কমান্ডারকে অধিকৃত কাশ্মীরে এনে পাকিস্তান বোঝানোর চেষ্টা করছে প্যালেস্টাইন ও কাশ্মীরের সমস্যা একই। মধ্যপ্রাচ্যে গাজার মতোই কাশ্মীরে মুসলিমদের সঙ্গে অত্যাচার চলছে। কাশ্মীর ইস্যুতে বিশ্বের মুসলিম দেশগুলিকে পাশে পেতেও বারবার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে আইএসআই। সৌদি আরব, ইউএই, কাতার কুয়েতের মতো দেশগুলি রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের পাশেই দাঁড়িয়েছে প্রতিবার। বিশ্বমঞ্চে অবশ্য পাকিস্তান পাশে পেয়েছে তুর্কি ও মালেশিয়াকে।
পাশাপাশি গোয়েন্দা সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে, অধিকৃত কাশ্মীরে যে কর্মসূচি আয়োজিত হতে চলেছে ‘আল আকসা ফ্লাড’-এর ব্যানারে। এই নামেই ২০২৩ সালের গত ৭ অক্টোবর ইজরায়েলে অপারেশন চালিয়েছিল হামাস। যে হামলায় প্রাণ হারান ৭০০ জন নিরপরাধ মানুষ। আসলে আল আকসা হল জেরুজালেমের এক মসজিদ। যে মসজিদের উপর নিজেদের কর্তৃত্বের দাবি বরাবর করে এসেছে মুসলিম ও ইহুদি দুই পক্ষ। এই নামে পিওকে-র এই কর্মসূচি বিপদের বার্তা বলেই মনে করছে গোয়েন্দারা। কারণ জঙ্গি সংগঠনগুলি এই নামকে হাতিয়ার করে মুসলিম ভাবাবেগকে উস্কে দিতে চাইছে। যার হিংসাত্মক নির্যাস ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে চায় পাকিস্তান ও পিওকেতে ঘাঁটি গাড়া জঙ্গি সংগঠনগুলি।

Subrata Debnath
Subrata Debnath https://syandanpatrika.in
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha