Friday, October 23, 2026
বাড়ি জাতীয় কমিশনের কার্যকলাপে ‘অনিয়ম’, কমিশনারদের চিঠি পেয়েও পাত্তা দেয়নি মোদি সরকার!

কমিশনের কার্যকলাপে ‘অনিয়ম’, কমিশনারদের চিঠি পেয়েও পাত্তা দেয়নি মোদি সরকার!

কমিশনের কার্যকলাপে ‘অনিয়ম’, কমিশনারদের চিঠি পেয়েও পাত্তা দেয়নি মোদি সরকার!

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক ২৩ অক্টোবর : নির্বাচন কমিশনারদের তরফ থেকে অভিযোগ পেয়েও পদক্ষেপ করেনি মোদি সরকার! আরটিআইয়ের  তরফ থেকে এবার প্রকাশ্যে এল বিস্ফোরক তথ্য। দিনদুয়েক আগেই জানা গিয়েছিল, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে লুকিয়ে ক্যাবিনেট সচিবকে চিঠি দিয়েছিলেন দুই সহকারী নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশী। কিন্তু সেই চিঠির ভিত্তিতে ক্যাবিনেট সচিবালয় কোনও পদক্ষেপ করেনি, এমনটাই জানা গিয়েছে আরটিআই মারফত।


কেন অভিযোগ পেয়েও পদক্ষেপ করল না ক্যাবিনেট সচিবালয়? আরটিআইয়ের জবাবে বলা হয়েছে, ক্যাবিনেটের কাছে যেসব চিঠি এসেছিল লেখা হয়েছিল ব্যক্তিগতভাবে। কমিশনের তরফ থেকে কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি। সেকারণে ক্যাবিনেট সচিবালয় সিদ্ধান্ত নেয়, যেহেতু কমিশনের তরফ থেকে চিঠি মেলেনি তাই ব্যক্তিগত চিঠির প্রেক্ষিতে পদক্ষেপ করলে সেটা কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপের সমতুল্য হবে। যদিও ক্যাবিনেট সচিবালয় মনে করেছিল এই অভিযোগ বেশ গুরুতর এবং তা অবশ্যই খতিয়ে দেখা উচিত। কিন্তু এই বিষয়টকে কমিশনের তরফ থেকে সরকারিভাবে দায়ের হওয়া অভিযোগ হিসাবে ধরা যাবে না।


দিনদুয়েক আগেই জানা গিয়েছিল, সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশীর লেখা ২৯ জুলাই তারিখের চিঠি দু’টি ‘সেবা তীর্থে’ (যে কমপ্লেক্সে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয় এবং ক্যাবিনেট সচিবালয় অবস্থিত) পৌঁছেছিল। প্রশ্ন হল, নির্বাচন কমিশনাররা সচিবালয়ে কেন চিঠি লিখেছিলেন? মনে করা হচ্ছে, নেপথ্যে ছিল ২৮ জুলাই জারি করা কাজের বণ্টন সংক্রান্ত একটি আদেশ। ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়ে দুই কমিশনার ক্যাবিনেট সচিবকে চিঠি লিখেছিলেন। ওই আদেশকে নিয়মের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেন তাঁরা। যদিও পরবর্তীকালে এই নতুন বণ্টন আদেশটি বাতিল করা হয়।


বলা হয়, এই পরিবর্তনগুলোর ফলে নির্বাচনী তালিকার আইটি কাঠামোর ওপর থাকা তদারকির একটি স্তর কার্যত অপসারিত হয়। কমিশনাররাও স্পষ্ট করেন, তাঁদের অগোচরেই এই পরিবর্তনগুলো আনা হয়েছিল। এটিকে ‘প্রচলিত রীতির থেকে আমূল বিচ্যুতি’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। যদিও ২৬ সেপ্টেম্বর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচন কমিশন জানায়, মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে পাঠানো চিঠিটি কমিশনের কোনও নীতিগত বিষয় বা আইটি বিভাগের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল না। বরং এটি ছিল নির্বাচন কমিশনে (ইসিআই) কর্মরত একজন কর্মকর্তার কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত।


Subrata Debnath
Subrata Debnath https://syandanpatrika.in
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha