স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক, ১৪ অক্টোবর : সম্প্রতি ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রতিবাদ কর্মসূচির আগে দিল্লিকে দুর্গে পরিণত করা হয়েছিল। বন্ধ করা হয়েছিল গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো-রেল স্টেশন। দিল্লি পুলিশের এই ‘বজ্র আঁটুনি’ নিরাপত্তার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হয়েছিল। শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারতি সূর্য কান্ত মন্তব্য করেছিলেন, “একটা মাছি মারতে হাতুড়ি চালাতে হয় না।” তাঁর এহেন মন্তব্যকে ব্যঙ্গ করেই এবার জন্ম নিল ‘মাছি জনতা পার্টি’ (এমজেপি) ।
মঙ্গলবার এমজেপি দাবি করেছে, ৭২ ঘণ্টায় ইনস্টাগ্রামে তাদের অনুগামীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৩০ হাজারেরও বেশি। জানা গিয়েছে, ‘মাছি জনতা পার্টি’-র প্রতিষ্ঠাতা আরিয়ান। তিনি একজন পড়ুয়া। এমজেপি জানিয়েছে, বর্তমানে সংগঠনটি একটি মুখপাত্র খুঁজছে। সাম্প্রতিক একটি পোস্টে তারা প্রশ্ন তুলেছে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নাগরিকদের কি একদিন ‘আরশোলা’ আর পরদিন ‘মাছি’ বলে অভিহিত করা উচিত? এমজেপি-র দাবি, তারা কোনও রাজনৈতিক দলের বিরোধী বা কোনও দলের সঙ্গে যুক্ত নয়। তারা নাগরিকদের মর্যাদা ও অধিকারের জন্য লড়াই করছে। তাদের স্লোগান হল – ‘তরুণদের দ্বারা, তরুণদের জন্য এবং তরুণদের।’ তবে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) মতো তারাও কোনও বড়সড় আন্দোলনে নামবে কি না, তা স্পষ্ট করেনি এমজেপি।
তবে সমাজমাধ্যমে জ্ঞানেশ কুমার ইস্যুতে সিজেপি এবং বামনেত্রী নেহা বোরাকে সমর্থন করেছে এমজেপি। ইনস্টাগ্রামে একটি বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ‘নেহার সাহস ও দৃঢ়তা প্রশংসনীয়। প্রশ্ন করা গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য। তবে আইন মেনে যে কোনও আন্দোলন সংঘটিত করার আহ্বান জানিয়েছে তারা। পাশাপাশি, সিজেপির সঙ্গে তারা যুক্ত হওয়ারও ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান