নয়াদিল্লি,
২৮
আগস্ট
(হি.
স.)
: ভয়াবহ
বন্যায়
বিধ্বস্ত
নেপালকে
প্রয়োজন
অনুযায়ী
মানবিক,
প্রযুক্তিগত,
চিকিৎসা
ও
উদ্ধার
সংক্রান্ত
সমস্ত
ধরনের
সহায়তার
হাত
বাড়িয়ে
দিয়েছে
ভারত।
ভারতের
মূল
উদ্দেশ্য
ত্রাণসামগ্রী
পৌঁছানোর
পাশাপাশি
তল্লাশি
ও
উদ্ধার
অভিযান,
চিকিৎসা
পরিষেবা
দেওয়া
এবং
ক্ষতিগ্রস্ত
এলাকায়
যোগাযোগ
ব্যবস্থা
পুনর্প্রতিষ্ঠায়
নেপালকে
পূর্ণ
সাহায্য
করা।
বিদেশ
মন্ত্রক
জানিয়েছে,
এখন
পর্যন্ত
৩২০
জন
ভারতীয়
নাগরিকের
সঙ্গে
যোগাযোগ
করা
সম্ভব
হয়নি।
তবে
তামিলনাড়ুর
২১
জন
পর্যটক
দেশে
ফিরে
এসেছেন
এবং
ত্রিশূলী-১ জলবিদ্যুৎ
প্রকল্পে
কর্মরত
৬৩
জন
ভারতীয়কেও
নিরাপদে
উদ্ধার
করা
হয়েছে।
শুক্রবার
সাপ্তাহিক
সংবাদ
সম্মেলনে
বিদেশ
মন্ত্রকের
মুখপাত্র
রণধীর
জয়সওয়াল
জানান,
বন্যাদুর্গত
এলাকা
থেকে
কাঠমান্ডু
পৌঁছানো
২১
জন
ভারতীয়
নাগরিক
আজ
দিল্লি
এসে
পৌঁছেছেন।
তাঁরা
সকলেই
তামিলনাড়ুর
বাসিন্দা।
কাঠমান্ডুতে
নিযুক্ত
ভারতীয়
রাষ্ট্রদূত
তাঁদের
সঙ্গে
সাক্ষাৎ
করে
স্বাস্থ্য
ও
পরিস্থিতির
খোঁজখবর
নেন।
অন্যদিকে,
ত্রিশূলী-১ জলবিদ্যুৎ
প্রকল্পে
কাজ
করা
৬৩
জন
ভারতীয়কে
নিরাপদে
উদ্ধার
করা
হয়েছে।
সরকার
তাঁদের
স্বদেশে
ফিরিয়ে
আনার
ব্যবস্থা
করছে।
পাশাপাশি,
চিনের
দিকে
আটকে
পড়া
৯৬
জন
ভারতীয়
নাগরিক
সড়কপথে
নিরাপদে
নেপাল
পৌঁছে
গেছেন।
এখন
সেখান
থেকে
তাঁদের
উদ্ধার
করে
ভারতে
আনার
চেষ্টা
চলছে।
এদিকে
বিদেশমন্ত্রী
এস
জয়শঙ্কর
এদিন
বিমানবন্দরে
নেপালে
বন্যা
থেকে
উদ্ধার
হওয়া
তামিলনাড়ুর
২১
জন
তীর্থযাত্রীর
দলের
সঙ্গে
দেখা
করেন।
তাঁদের
মুখে
দুর্ভোগের
কথা
শুনে
তিনি
আবেগপ্রবণ
হয়ে
পড়েন।
এই
উদ্ধারকাজের
জন্য
তিনি
নেপালি
সেনা
সদর
দফতর
ও
নেপাল
সরকারকে
ধন্যবাদ
জানান।
মুখপাত্র
জানান,
বর্তমানে
প্রায়
৩২০
জন
ভারতীয়
নাগরিকের
সঙ্গে
যোগাযোগ
করা
যাচ্ছে
না
অথবা
তাঁরা
নিখোঁজ
বলে
ধরে
নেওয়া
হচ্ছে।
তবে
মন্ত্রক
স্পষ্ট
করেছে
যে
পরিস্থিতি
প্রতিনিয়ত
পাল্টাচ্ছে
এবং
বিভিন্ন
তালিকার
মিল
ঘটানোর
কাজ
চলায়
এই
সংখ্যা
কম-বেশি হতে পারে। এছাড়া ভারতীয়
বংশোদ্ভূত
প্রায়
১০০
জন
মানুষও
যোগাযোগের
বাইরে
রয়েছেন।
তাঁদের
মধ্যে
এমন
ব্যক্তিও
থাকতে
পারেন
যাঁরা
কৈলাশ
মানস
সরোবর
যাত্রায়
গিয়েছিলেন,
কিন্তু
ভারতীয়
নাগরিকত্বের
বদলে
অন্য
কোনো
দেশের
নাগরিকত্ব
ধারণ
করেন।
চিনের
দিকে
প্রায়
৪০০
জন
ভারতীয়
নাগরিক
রয়েছেন
এবং
তাঁরা
প্রত্যেকেই
সুরক্ষিত
আছেন
বলে
খবর।
তাঁরা
নিজেদের
পরিবারের
সঙ্গেও
যোগাযোগ
রাখছেন।
বেইজিংয়ে
অবস্থিত
ভারতীয়
দূতাবাস
স্থানীয়
কর্তৃপক্ষের
পাশাপাশি
তাঁদের
সঙ্গেও
যোগাযোগ
রেখে
নিরাপদে
বের
করে
আনার
বন্দোবস্ত
করছে।
বিদেশ
মন্ত্রকের
মুখপাত্র
রণধীর
জয়সওয়ালের
বক্তব্য
অনুযায়ী,
নেপালে
সাম্প্রতিক
বন্যা
ও
প্রাকৃতিক
বিপর্যয়ের
পর
ভারত
ত্রাণ
ও
উদ্ধার
অভিযান
জোরদার
করেছে।
এ
পর্যন্ত
দুটি
বিমান
ভর্তি
ত্রাণসামগ্রী
পাঠানো
হয়েছে
এবং
২৮
আগস্ট
সন্ধ্যায়
তৃতীয়
বিমানটি
পাঠানোর
প্রস্তুতি
চলছে।
এরপর
নেপালকে
ভারতের
দেওয়া
ত্রাণসামগ্রীর
পরিমাণ
দাঁড়াবে
প্রায়
৬০
টন।
তিনি
জানান,
২৬
আগস্ট
সন্ধ্যায়
প্রথম
বিমানে
১০
টন
ত্রাণসামগ্রী
পাঠানো
হয়,
যার
মধ্যে
ছিল
অস্থায়ী
তাঁবু,
কম্বল,
হাইজিন
কিট,
সোলার
ল্যাম্প
ও
ওষুধপত্র।
২৭
আগস্ট
সকালে
দ্বিতীয়
বিমানে
৩৭.৫ টন ত্রাণ পাঠানো
হয়,
যার
মধ্যে
তাঁবু,
কম্বল,
পাম্প,
জেনারেটর,
রান্নার
কিট
ও
শুকনা
খাবার
অন্তর্ভুক্ত
ছিল।
পরবর্তী
কিস্তিতে
আরও
১২
থেকে
১৩
টন
ত্রাণসামগ্রী
পাঠানো
হবে,
যেখানে
ওয়াটার
পিউরিফায়ার
ট্যাবলেট
এবং
নেপালের
চাহিদা
অনুযায়ী
প্রয়োজনীয়
সামগ্রীকে
অগ্রাধিকার
দেওয়া
হচ্ছে।
এছাড়া
নেপালের
অনুরোধে
ভারত
একটি
টানেল
রেসকিউ
টিম
(টানেল
উদ্ধারকারী
দল)
পাঠানোর
প্রস্তুতি
নিচ্ছে।
এর
আগে
একটি
বিশেষ
দল
পরিস্থিতি
খতিয়ে
দেখতে
নেপাল
যাচ্ছে,
যা
সরজমিনে
পর্যালোচনা
করে
প্রয়োজনীয়
সরঞ্জামের
তালিকা
তৈরি
করবে।
সেই
অনুযায়ী
মূল
উদ্ধারকারী
দল
ও
সরঞ্জাম
পাঠানো
হবে।
ভারতের
পক্ষ
থেকে
নেপাল
সরকারকে
ন্যাশনাল
ডিজাস্টার
রেসপন্স
ফোর্স-এর দল এবং প্রয়োজনীয়
উদ্ধার
সরঞ্জাম
পাঠানোর
প্রস্তাবও
দেওয়া
হয়েছে।
ভারত
বর্তমানে
নেপাল
সরকারের
উত্তরের
অপেক্ষায়
রয়েছে।
পাশাপাশি
ভারত
একটি
বিশেষ
চিকিৎসক
দল
এবং
‘বেইলি
ব্রিজ’
সরবরাহের
প্রস্তাব
দিয়েছে।
এতে
ক্ষতিগ্রস্ত
এলাকাগুলিতে
বিপর্যস্ত
যোগাযোগ
ব্যবস্থা
দ্রুত
চালু
করা
সম্ভব
হবে।
ভারতে
এবং
কাঠমান্ডু
ও
বেইজিংয়ে
অবস্থিত
ভারতীয়
দূতাবাসের
কন্ট্রোল
রুম
২৪
ঘণ্টা
সক্রিয়
রয়েছে
ও
পরিস্থিতি
পর্যবেক্ষণ
করছে।
হেল্পলাইনের
মাধ্যমেও
ক্রমাগত
নিখোঁজদের
তথ্য
সংগ্রহ
করা
হচ্ছে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান