Wednesday, October 14, 2026
বাড়ি বিশ্ব সংবাদ হত্যার চেষ্টায় ৫ বার গুলি করা হয় স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে

হত্যার চেষ্টায় ৫ বার গুলি করা হয় স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে

হত্যার চেষ্টায় ৫ বার গুলি করা হয় স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে

স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক, ১৬ মে: স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোকে হত্যার চেষ্টায় পাঁচবার গুলি করা হয়, তবে তার অবস্থা এখন আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন দেশটির এক মন্ত্রী।বুধবার স্লোভাকিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় নগরী হ্যান্ডলোভায় সরকারি এক বৈঠক শেষে বের হওয়ার সময় তাকে গুলি করা হয়। সঙ্কটজনক অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সন্ধ্যার দিকে জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়।স্লোভাকিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী ও পরিবেশ মন্ত্রী টমাস তারাবা বিবিসি নিউজ আওয়ারকে বলেছেন, “আমি অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছি। সৌভাগ্যবশত আমি যতদূর জেনেছি, অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে। তিনি বেঁচে যাবেন বলে আশা করছি। জীবন সংশয়ের পরিস্থিতি পার হয়ে গেছে।”পাঁচটি গুলির মধ্যে একটি গুলি ফিকোর পেটে ও আরেকটি এক সন্ধিস্থলে লেগেছে বলে তারাবা জানিয়েছেন।গণমাধ্যম আক্তুয়ালিতি ডট এসকে এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছেন, অস্ত্রোপচারের পরে ফিকো এখন স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন।
তার শরীরে কয়েকটি গুলি লেগেছে বলে স্লোভাকিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রবার্ট কালিনাক এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন।দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাতুস সোতাই এস্তোক বলেছেন, “এই হত্যার চেষ্টা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পরপরই অপরাধীরা এ সিদ্ধান্তটি নিয়েছিল।”এপ্রিলে দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ফিকোর মিত্র পিতার প্যালাগ্রিনি জয়ী হয়েছেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলেও প্যালাগ্রিনির জয়ের মাধ্যমে ক্ষমতায় ফিকোর নিয়ন্ত্রণ আরও সংহত হয়।তবে ৫৪ লাখ জনসংখ্যার দেশটিতে রাজনৈতিক মেরুকরণ নিয়ে বিতর্ক রয়েই গেছে। নির্বাচনের আগে থেকেই এ নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছিল।
অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফেরার পর ফিকো দ্রুত নীতি পরিবর্তন করেন। বিরোধীদলীয় সমালোচকরা একে ‘ক্ষমতা দখল’ বলে অভিহিত করেছেন।রাশিয়ার সঙ্গে সংলাপ শুরু হওয়ার সময় থেকে তার সরকার ইউক্রেইনের প্রতি সমর্থন কমিয়ে দিয়েছে।স্লোভাকিয়ার গণমাধ্যম জানিয়েছে, হামলাকারী ৭১ বছর বয়সী এক ব্যক্তি। তিনি একটি শপিংমলের সাবেক এক নিরাপত্তারক্ষী।ইউরোপের মধ্যাঞ্চলীয় ছোট দেশ স্লোভাকিয়া যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট নেটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য। দেশটিতে রাজনৈতিক সহিংসতার তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য ইতিহাস নেই।রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং স্লোভাকিয়ার ইইউ মিত্ররা এ হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন।

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha