স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক ৯ অক্টোবর : চার বছর বাদে এক ‘বৃদ্ধ’ জাতীয় দলে ঢুকে পড়েছেন। এবার কি আরও এক ‘বৃদ্ধে’র পালা? প্রথম জনের নাম ভুবনেশ্বর কুমার। যিনি চারবছর বাদে টি-২০ দলে ঢুকে পড়েছেন। দ্বিতীয় বৃদ্ধের নাম মহম্মদ শামি । এবার কি তিনিও জাতীয় দলে ঢুকে পড়তে পারেন? সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছে ভারতীয় শিবির। ইঙ্গিতপূর্ণভাবে টিম ইন্ডিয়ার কোচ বলছেন, “দরকার পড়লে সবাইকেই সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।”
শুক্রবার, ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ চলতি টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ। রাঁচিতে। মহেন্দ্র সিং ধোনির ঘরের মাঠে। তার আগে সাংবাদিক সম্মেলন করতে এসেছিলেন ভারতীয় দলের সহকারী কোচ সীতাংশু কোটাক। নিউজিল্যান্ড সিরিজের দলে ভুবনেশ্বরের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলে কোটাক বলেন, “দেখুন, ভুবনেশ্বরকে তো নির্বাচকরা নিয়েছেন। তবে আমি আমার দিকটা বলি। গত ইংল্যান্ড সফরে বুমরাহ ছিল না দলে। প্রচুর তরুণ পেসার ছিল। সেই সময় আমার মনে হয়েছিল, অভিজ্ঞতার কোনও বিকল্প হয় না। বুমরাহ সেই সফরে না থাকায়, আমাদের দলে যা ছিল না।” সঙ্গে যোগ করেছেন, “নতুন বোলাররা ভালো। তারা ভালো পারফর্মও করছে। দলে নির্বাচিত হচ্ছে। কিন্তু দিন শেষে দলে অভিজ্ঞতারও প্রয়োজন পড়ে।”
ভুবনেশ্বরের অন্তর্ভুক্তি আরও এক জাতীয় পেসারের দীর্ঘদিন জাতীয় দল থেকে ব্রাত্য থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। তিনি-মহম্মদ শামি। গত কয়েক বছর ধরে ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ পারফর্ম করা সত্ত্বেও যাঁকে বারবার উপেক্ষিত থেকে যেতে হচ্ছে। লাল বলের ক্রিকেটে। সাদা বলের ক্রিকেটে। ভুবনেশ্বরের পর কি এবার শামির প্রত্যাবর্তন দেখছেন ভারতীয় দলে? উত্তর দিতে গিয়ে রক্ষণাত্মক হয়ে পড়েন কোটাক। বলে দেন, “আমি তো নির্বাচক নই। তাই আমার পক্ষে এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া কঠিন। কিন্তু এটাও মানতে হবে যে, শামি ভালো পারফর্ম করছে। নির্বাচকদের যদি মনে হয়, নির্দিষ্ট কাউকে দরকার, নেবেন।”
শেষবার ২০২৫ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলেছেন শামি। তারপর থেকেই জাতীয় দলে একপ্রকার ব্রাত্য তিনি। তারপর থেকে নিয়মিত ঘরোয়া ক্রিকেটে বাংলার হয়ে পারফর্ম করেছেন তিনি। নিজের ফিটনেসও প্রমাণ করেছেন। কিন্তু নির্বাচকদের নজরে আসেননি। এবার অজিত আগরকর জাতীয় নির্বাচকের পদ থেকে সরার পর কি শামির জন্য খুলবে জাতীয় দলের রাস্তা?
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান