Sunday, October 11, 2026
বাড়ি রাজ্য মূর্তি পাড়ায় চরম ব্যস্ততা মৃৎশিল্পীদের

মূর্তি পাড়ায় চরম ব্যস্ততা মৃৎশিল্পীদের

মূর্তি পাড়ায় চরম ব্যস্ততা মৃৎশিল্পীদের

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৯ অক্টোবর ; দশকের পর দর্শক কেটে গেলেও ভাঙছে না আদি-রীতি। আশ্বিনের শারদপ্রাতে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের অনির্বচনীয় কণ্ঠস্বর বেজে উঠলেই বাঙালির জীবনে সূচিত হয় মহালয়া। পিতৃপক্ষ শেষ, শুরু দেবীপক্ষ। দেবীপক্ষের সূচনা চিহ্নিত হওয়া মানেই বাঙালির সেরা উৎসব দুর্গাপুজো এসে পড়া। রাত পোহালেই মহালয়া।আগরতলা মূর্তি পাড়ায় চলছে রাত দিন এক করে প্রতিমা তৈরির কাজ। এখনো শেষ তুলির টান বলা যায় না। শিল্পীরা ব্যস্ত প্রতিমা তৈরিতেই। তাদের খাওয়া নেই, ঘুম নেই, রাত পোহালে মহালয়া। সময় খুবই কম, কাজ অনেক।

কোন কোন পূজা উদ্যোক্তারা তৃতীয়া কিংবা চতুর্থীতেই প্রতিমা নিয়ে যাবে মণ্ডপে। এই মুহূর্তে আর হাত গুটিয়ে বসে থাকেন সময় নেই। পূর্ণরূপ দিতে পারলেই প্রতিমা হয়ে উঠবে দেবী দুর্গা। বিগত কয়েক বছর ধরে পঞ্চমী থেকেই আগরতলা শহরে পুজো মণ্ডপ গুলিতে দর্শকদের ঢল নামে। ব্যতিক্রম হবে না এবছরও। হই- হট্টগোলের মধ্যে হয়তো কোথাও তারস্বরে বেজে উঠবে পূজার মাইক। ইতিউতির মধ্যেই মহা ষষ্ঠীর দিন সকাল থেকে পাড়ায় পাড়ায় বাঁচবে উত্তম কুমারের কন্ঠের 'দেবী দুর্গতি হারিনি।' সন্ধ্যায় বাজবে কুমার শানু আর নচিকতার গান। দর্শকরা প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে গিয়ে ভিড় করবেন প্রতিমা দেখার জন্য। সব মিলিয়ে এক উচ্ছ্বাসের মধ্যে দিয়ে কাটবে বাঙালির এই উৎসব।

 

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha